Others

মা সারদা দেবীর অষ্টোত্তর শতনাম

সারদা দেবী (২২ ডিসেম্বর ১৮৫৩ – ২০ জুলাই ১৯২০) ছিলেন উনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি হিন্দু ধর্মগুরু রামকৃষ্ণ পরমহংসের পত্নী ও সাধনসঙ্গিনী এবং রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সংঘজননী। ভক্তগণ তাকে শ্রীশ্রীমা নামে অভিহিত করে থাকেন। রামকৃষ্ণ আন্দোলনের বিকাশ ও প্রসারে তার ভূমিকা অনস্বীকার্য।

শ্রীশ্রীসারদা অষ্টোত্তর শতনাম

ত্বং মে ব্রহ্মসনাতনী মা।১।।
ব্রহ্মশক্তিময়-রুপিনী মা।২।।
সচ্চিৎ সুখযুত রূপিণী মা।।৩।।
সহস্রার-শিবসঙ্গিনী মা।।৪।।
অগাধলীলা-রূপিনী মা।।৫।।
চিন্ময়রূপ-বিলাসিনী মা।।৬।।

১। মা! (স্বরূপত) তুমি নিত্যা(শুদ্ধা) ব্রহ্মরূপিনী।
২। মা! ব্রহ্ম ও তদ্ভিন্ন শক্তিও তোমারি রূপ।
৩। মা! তুমি সচ্চিদানন্দরূপিনী।
৪। মা! তুমি সহস্রারে পরমশিব সহ বিরাজিতা!
৫। মা! তোমার নানা লীলাবিগ্রহ বুদ্ধির অগম্য!
৬। মা! তুমি চিন্ময়ীরূপে বিবিধ বিলাসকারিণী!

আদ্যাশক্তি-লীলাময়ী মা। ৭।।
চিতসুখদায়িনি-তারিণি মা।।৮।।
দুর্গতি- দুর্মতি-নাশিনি মা।।৯।।
মহাকালহৃদি- নতিনি মা।।১০।।
জয়রামবাটি- ধৃতজনি মা।।১১।।
ধর্মগ্লানিবিনাশিনি মা।।১২।।

৭। মা তুমি আদ্যাশক্তিরূপে লীলাচঞ্চলা!
৮। মা তুমি আশ্রিতের জ্ঞান ও সুখপ্রদায়িনী ও পরিত্রাণকারিণি।
৯। মা তুমি শরণাগতের অধোগতি ও অশুভবুদ্ধিদূরকারিণি!
১০। মা তুমি মহাকালের হৃদয়ে নৃত্যশীলা!
১১। মা তুমি পুণ্য জয়রামবাটী গ্রামে আবির্ভূত হয়েছিলে।
১২। মা তুমি ধর্মের গ্লানি বিনাশকারিনী!

আশ্রিতা-শ্যামাসুন্দরি মা।।১৩।।
রামচন্দ্র-দ্বিজ- দুহিতা মা।।১৪।।
মার্গশীর্ষতিথি-পাবনি মা।।১৫।।
অসিত-সপ্তমী-জননী মা।।১৬।।
ক্ষেমঙ্করী-পদভূষিতা মা।।১৭।।
বিশ্বমঙ্গলাগমনা মা।।১৮।।

১৩। মা তুমি জননী শ্যামাসুন্দরীর গর্ভে আবির্ভূতা হয়েছিলে!
১৪।মা তুমি দ্বিজবর পিতা রামচন্দ্রের কন্যারূপে লীলা-বিগ্রহ ধারণ করেছিলে।
১৫। মা! তুমি শুভ অগ্রহায়ণ মাসকে ( নিজ আবির্ভাবের দ্বারা) পবিত্র করেছ!
১৬। মা! তুমি কৃষ্ণাসপ্তমী তিথিতে প্রকটিত হয়েছিলে।
১৭। মা তুমি ক্ষেমঙ্করী ( সর্বশুভদায়িনী) নামে অলংকৃত হয়েছিলে।
১৮। মা! জগতের কল্যাণের জন্যেই তোমার আগমন!

রামকৃষ্ণসহধর্মিণী মা।১৯।।
পঞ্চবর্ষ পরিণীতা মা।।২০।।
ধর্মস্থাপনকারিণী মা।।২১।।
রম্যসরল-পথদরশিনি মা।।২২।।
মাতৃভাব-পরিশোধিনি মা।।২৩।।
ভক্তহৃদয়-অধিবাসিনী মা।।২৪।।

১৯।মা তুমি শ্রীরামকৃষ্ণের সহধর্মিণী।
২০।মা তুমি পাঁচ বছর বয়সকালে পরিনীতা হয়েছিলে।
২১।মা তুমি ধর্মস্থাপনকারিণী।
২২।মা তুমি সকলকে মনোরম ভাব ও সরল সাধন পথ প্রদর্শন করেছ!
২৩।মা তুমি শুদ্ধ মাতৃভাব জগতে প্রকাশ করেছো!
২৪। মা তুমি (সদা শুদ্ধ) ভক্তহৃদয়ে নিবাস করে থাকো!

জনক-জননী-সুখবরধিনি মা।।২৫।।
দুঃখ-দলিত- জননন্দিনি মা।২৬।।
জগদ্ধাত্রী-নিজরূপিনি মা।।২৭।।
সিংহবাহিনী-পুজিনি মা।।২৮।।
শ্রুতপতি-সাধন-নিরতা মা।।২৯।।
তৎসন্দর্শন-কৃত-মতি মা।।৩০।।

২৫।মা তুমি স্বীয় জনক-জননীর সুখবর্ধন করেছ!
২৬। মা তুমি দুঃখ-নিপীড়িত জনগনকে আনন্দ দিয়ে থাক!
২৭। মা তুমি নিজরূপে সর্বজগতের পালনকর্ত্রী !
২৮। মা তুমি সিংহবাহিনী দেবীকে পূজা করেছিলে।
২৯। মা পতির অলৌকিক দিব্য সাধনের কথা শুনে তুমিও তাঁর চিন্তায় মগ্ন হয়েছিলে।
৩০। মা তুমি পতি সন্দর্শনের জন্যে দৃঢ়নিশ্চয় করেছিলে।

রামকৃষ্ণকৃত-স্বাগতি মা।।৩১।।
পতি-অবলোকন-পুলকিনি মা।।৩২।।
রামকৃষ্ণ-শরণাগতি মা।।৩৩।।
সাধক-পতি-সেবারতি মা।।৩৪।।
‘সরস্বতী’-ইতি লক্ষীণি মা।।৩৫।।
জ্ঞান-দান-শুভ-আগতি মা।।৩৬।।

৩১। মা! তুমি যখন (পিতৃগৃহ থেকে দক্ষিণেশ্বর)এসেছিলে, তোমাকে শ্রীরামকৃষ্ণদেব সাদরে অভ্যর্থনা করেছিলেন।
৩২।মা! পতি সন্দর্শনে তুমি পুলকিতা হয়েছিলে।
৩৩। মা! তুমি শ্রীরামকৃষ্ণের শরণাগত হয়েছিলে।
৩৪। মা! সাধনরত পতির সেবায় তুমি মনোনিবেশ করেছিলে।
৩৫।মা! (শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন) জ্ঞানদাত্রী সরস্বতীরূপে তুমি জগতে অবতীর্ণ হয়েছ!
৩৬। মা! (সকলকে) জ্ঞানদান করবার জন্যেই তোমার শুভ আগমন!

নারায়ণলক্ষী-জনি মা।৩৭।।
শিবপার্বতীসম-উপমিত মা।।৩৮।।
রামচন্দ্রপ্রিয়-জানকী মা।।৩৯।।
কৃষ্ণচন্দ্র-রাধা-সম মা।।৪০।।
নিশীথ সময়- ধ্যায়িনি মা।।৪১।।
লক্ষজপজ্জল-সেবিনি মা।।৪২।।

৩৭।মা! তুমি নারায়ণের সহচরী লক্ষীরূপিনী।
৩৮।মা! তুমি শিবের সঙ্গিনী পার্বতীতুল্যা!
৩৯।মা! তুমি শ্রীরামচন্দ্রের প্রিয় জানকী-সদৃশা!
৪০। মা তুমি শ্রীকৃষ্ণবল্লভা রাধারাণী।
৪১।মা! তুমি গভীর রাতে ধ্যানমগ্ন থাকতে।
৪২। মা! তুমি নিত্য লক্ষ সংখ্যক জপ সমাপনান্তে জলগ্রহণ করতে।

পতিসেবোত্তম-রতিনী মা।।৪৩।।
পতিমনুভোজনমনুভোজিনি মা।।৪৪।।
কঠিনতপাবৃত-মানস মা।।৪৫।।
পূজিল- ষোড়শীরূপিনী মা।।৪৬।।
চরণার্পিত-পতি-জপতপ মা।।৪৭।।
দিব্যভাবভূত-তন্ময় মা।।৪৮।।

৪৩।মা তুমি পতিসেবারূপ উত্তম ব্রত গ্রহণ ও পালন করেছিলে।
৪৪।মা! তুমি পতির ভোজনান্তর ভোজ্য গ্রহণ করতে।
৪৫। মা তুমি দুশ্চর সাধনায় মনোনিবেশ করেছিলে।
৪৬।মা! (শ্রীরামকৃষ্ণ কর্তৃক) তুমি ষোড়শীরূপে পূজিতা হয়েছিলে।
৪৭। মা! পতি পতি শ্রীরামকৃষ্ণ স্বীয় সর্ব জপতপের ফল তোমার শ্রীচরণে অর্পণ করেছিলেন।
৪৮। মা! তুমি (ষোড়শী পূজাকালে) দিব্যভাবাবেশে তন্ময় হয়েছিলে।

ত্যাগে গৌরব-বর্ধিনি মা।।৪৯।।
লজ্জাপটাবৃতেসারদে মা।।৫০।।
রামকৃষ্ণজন-সেবিনি মা।।৫১।।
নরেন্দ্র-দর্শন হরষিনি মা।।৫২।।
আশ্রিত-সন্ততি-তোষিণি মা।।৫৩।।
সেবাতপ-সম্মেলনি মা।।৫৪।।

৪৯। মা! তুমি সর্বদা ত্যাগের গৌরব বর্ধন করেছ!
৫০। মা! সারদা! তুমি সদাই লজ্জারূপ পটে আবৃত হয়ে থাকতে।
৫১। মা! তুমি শ্রীরামকৃষ্ণের ভক্তজনের সেবায় সদা ততপর!
৫২।মা!নরেন্দ্রকে দেখে তুমি আনন্দিতা হতে।
৫৩।মা! শরণাগত সন্তানগণের তুমি সদা সন্তোষ বিধান করো ।
৫৪। মা! তোমার জীবনে সেবা ও তপস্যার মধুর মিলন ঘটেছিলো!

আচন্ডাল-সকরুণা মা।।৫৫।।
করামলমুক্তিকারি মা।।৫৬।।
ধৃত নিজকালীরূপিনী মা।।৫৭।।
দস্যুপরি-অনুকম্পিনি মা।।৫৮।।
পতিবিয়োগ-সন্তপ্তা মা।।৫৯।।
তদ-দর্শনক্রিত-সান্ত্বনি মা।।৬০।।

৫৫। মা! আচন্ডাল সকলের অপরেই তোমার করুণা বর্ষিত হয়েছে।
৫৬।মা! তুমি করস্থিত আমলকী ফলের ন্যায় প্রত্যক্ষ মুক্তিদায়িনী।
৫৭। মা! তুমি নিজের কালীরূপ ধারণ করেছিলে!
৫৮। মা! দস্যুর উপরেও তোমার অনুকম্পা বর্ষিত হয়েছিল।
৫৯।মা! তুমি পতিবিয়োগে নিরতিশয় সন্তপ্তা হয়েছিলে।
৬০।মা! তুমি তাঁর অলৌকিক দিব্য দর্শন লাভ করে সান্ত্বনা পেয়েছি্লে।

বৃন্দাবন-তপশ্চরণা মা।।৬১।।
কৃষ্ণভাব-পরিমগ্না মা।।৬২।।
পঞ্চতপঃ-কৃতসাধনি মা।।৬৩।।
নীলাচল-তপবাসিনি মা।।৬৪।।
রামেশ্বর-শিবপূজনি মা।।৬৫।।
বিশ্বনাথ-ভাবস্থিতা মা।।৬৬।।

৬১।মা! তুমি বৃন্দাবনে কঠোর তপশ্চর্যা করেছিলে।
৬২। মা! তুমি (বৃন্দাবনে) কৃষ্ণচিন্তায় নিমগ্ন হয়েছিলে।
৬৩। মা! তুমি কঠোর পঞ্চতপা-সাধন অনুষ্ঠান করেছিলে।
৬৪। মা! নীলাচলেও তুমি কত তপস্যা করেছিলে!
৬৫।মা! রামেশ্বরে তুমি দেবাদিদেব মহাদেবের সযত্নে পূজা করেছিলে।
৬৬। মা! কাশীতে শ্রীবিশ্বনাথের চিন্তায় তুমি বিভোর হয়েছিলে,।।

অবিমুক্ত কাশী মত মা।।৬৭।।
কীটোহ্যপি মুক্তো মতি মা।।৬৮।।
গঙ্গা-প্রীতিকারিণি মা।।৬৯।।
তদ্বিলীন-পতি-দরশিনি মা।।৭০।।
সকলদেব-সম-দরশিনি মা।।৭১।।
আশ্রিত-করুণা-কারিণি মা।।৭২।।

৬৭। মা! কাশী “অবিমুক্ত ক্ষেত্র” (মোক্ষক্ষেত্র)- একথা তুমি ঘোষণা করেছিলে।
৬৮। মা! (কাশীতে মরণান্তর সামান্য) কীটও মুক্ত হয়- তুমি বলেছিলে।
৬৯। মা! দেবনদী গঙ্গার প্রতি তোমার অতিশয় প্রীতি ছিল।
৭০। মা! পতি শ্রীরামকৃষ্ণ গঙ্গার সাথে মিলিত হয়ে গেলেন- তুমি এই দিব্যদর্শন করেছ।
৭১। মা! তুমি সকলদেবগণকেই তুল্য রূপে দেখতে।
৭২। মা! শরণাগতজনের প্রতি তোমার করুণা সদা বর্ষিত হত!

ভক্তিজ্ঞানবিধায়িনি মা।।৭৩।।
সর্বজ্ঞানাশ্রয়দায়িনি মা।।৭৪।।
জনতাপত্রয়বারিণি মা।।৭৫।।
রামকৃষ্ণ সঙ্ঘেশ্বরী মা।।৭৬।।
বিরিঞ্চিশঙ্কর-বন্দিনি মা।।৭৭।।
জগজ্জননি জয়দায়িনি মা।।৭৮।।

৭৩। মা! তুমি ভক্তি ও জ্ঞানপ্রদায়িনি।
৭৪। মা! তুমি সকল প্রাণীকেই আশ্রয় দান করেছ।
৭৫।মা! তুমি সর্বজীবের তাপত্রয় নিবারণ করেছ!
৭৬। মা! তুমি শ্রীরামকৃষ্ণ সঙ্ঘের চালয়িত্রী।
৭৭। মা! ব্রহ্মা-শঙ্করও তোমার বন্দনায় সদা তৎপর !
৭৮। মা! তুমি জগজ্জননী, তুমিই সকলকে বিজয় প্রদান করে থাক।!

হৃদগত-রামকৃষ্ণ-মতি মা।।৭৯।।
সাক্ষাৎ-বাণী-রুপিণি মা।।৮০।।
রামকৃষ্ণ-পর-প্রাণা মা।।৮১।।
শুদ্ধজ্ঞান-প্রদায়িনি মা।।৮২।।
মাতৃভাব-পরিচারিণি মা।।৮৩।।
প্রাণি-মাতৃপদধারিণি মা।।৮৪।।

৭৯। মা! তুমি হৃদয়ে সদা শ্রীরামকৃষ্ণের চিন্তায় মগ্ন।
৮০। মা! তুমি সাক্ষাৎ সরস্বতী-রুপিণী।
৮১। মা! শ্রীরামকৃষ্ণই তোমার প্রাণের প্রাণ ছিলেন।
৮২। মা! তুমি বিমল জ্ঞান প্রদান করে থাকো।
৮৩। মা! মাতৃভাবে তুমি সকলের পরিচর্যা করেছ।
৮৪। মা! তুমি প্রাণী মাত্রেরই “মা” ছিলে।

জন-সংসৃতি-পদধারিণি মা।।৮৫।।
ক্ষান্তি-মহাগুণ-ব্যাপিনি মা।।৮৬।।
কান্তিবরাভয়-দায়িনি মা।।৮৭।।
দশ-মহাবিদ্যা-রুপিনি মা।।৮৮।।
প্রেমানন্দ-সুবর্ষিণী মা।।৮৯।।
সদ্গতি-সম্মতি-কারিণি মা।।৯০।।

৮৫। মা! তুমি সকলের সংসার-ভয় হরণ করেছ।
৮৬। মা! তুমি ক্ষমা প্রভৃতি আদি মহৎ গুণের আধার ছিলে।
৮৭। মা!তুমি কান্তি,বর ও অভয় প্রদান করে থাক।
৮৮। মা! তুমি দশমহাবিদ্যারূপিনী।
৮৯। মা! তুমি সর্বত্র প্রেম ও আনন্দ বর্ষণ করে থাক।
৯০। মা! তুমি সকলের শুভ মতি প্রদান করে থাকো।

দুর্বলজন-বলদায়িনি মা।।৯১।।
দুখ-দৈন্যভয়-নাশিনি মা।।৯২।।
বিদ্যাভক্তি-বিধারিণি মা।।৯৩।।
শাঙ্করি-মুক্তি-প্রদায়িনি মা।।৯৪।।
সারদে পতিত পাবনী মা।।৯৫।।
শোকতাপ-পরিহারিণি মা।।৯৬।।

৯১। মা! তুমি দুর্বল চিত্তে বল প্রদান করে থাকো।
৯২। মা! তুমি সর্বদুঃখ ও দৈন্যভয় নাশ করে থাকো।
৯৩। মা! তুমি সর্ববিদ্যা ও ভক্তির আধার!
৯৪। মা! তুমি কৈবল্যমুক্তি প্রদান করে থাকো।
৯৫। মা সারদে! তুমি পতিত পাবনী।
৯৬। মা! তুমি সকলের শোক ও তাপ হরণ করে থাকো!

খ্রিষ্টনিবেদিতা-তারিণি মা।।৯৭।।
আমজাদমহম্মদ-পাবনি মা।।৯৮।।
ক্রোড়-অভাজন-দায়িনি মা।।৯৯।।
ভক্তিপ্রেম-প্রদায়িনি মা।।১০০।।
সর্বদেবদেবঋষি-পূজিতা মা।।১০১।।
শুভদে মোক্ষদে সারদে মা।।১০২।।

৯৭। মা! খৃষ্টানবংশজাত নিবেদিতাকে তুমি গ্রহণ করেছিলে।
৯৮। মা! ইসলাম বংশীয় (দস্যু) আমজাদকেও তুমি শুদ্ধ ও পবিত্র করেছিলে।
৯৯। মা! ভাগ্যহীন সকলকেই তুমি সাদরে ক্রোড়ে গ্রহণ করেছো!
১০০। মা! তুমি সদাই ভক্তি ও প্রেম বিতরণ করে থাকো!
১০১। মা! সর্বদেব ও ঋষিগণ তোমার বন্দনা করে থাকেন।
১০২। মা! হে,মোক্ষদায়িনী মা সারদে! তুমি সকলেরই কল্যাণকারিণি।

মাতৃনাম-শিক্ষাপ্রদ মা।।১০৩।।
ভবসাগর-পারতরণী মা।।১০৪।।
নির্গুণসুত-অনুকম্পিনি মা।।১০৫।।
সচ্চিদ-সুখনিধিরূপিণি মা।।১০৬।।
রামকৃষ্ণ- চিতিলীনা মা।।১০৭।।
আনন্দধাম-প্রস্থিতা মা।।১০৮।।

জয়তু সারদা জয় জয় মা! জয়তু

 

এগুলিও পড়তে পারেন -

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

two × 2 =

Back to top button