অনলাইন ক্যারিয়ার

অনলাইনে টাকা রোজগার করার সঠিক উপায়- অনলাইন ইনকাম টিপস #উপদেট

টাকা সবার প্রয়োজন। বিশেষ করে ছাত্র অবস্থায় পকেট খরচ চালানোর পথ খুঁজতে গিয়ে যদি সারা জীবনে একটি ইনকামের পথ বের হয়, তবে সে কাজ কে না করতে চাবে। আজ তেমনি কিছু কাজের কথা শেয়ার করবো, একটু পরিশ্রম করলে যে কেউ করতে পারবে। এই পোস্টে অনলাইনে আয়ের শত উপায়ের মধ্যে যে উপায়গুলো আপনার ভাল ক্যারিয়ার হবে, টাকা ইনকাম হবে শুধু তেমন চারটি উপায়ের উপর আলোচনা করা হয়েছেঃ

আয় করুন ইউটিউব থেকেঃ

অনলাইনে আয় করার জনপ্রিয় উপায়গুলোর মধ্যে ইউটিউব থেকে আয় অন্যতম। ইউটিউবে ভিডিও আপ করে অনলাইনে আয় করাটা এই সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইনে আয়ের উপায় গুলোর একটি। আপনার ভিডিও গুলোতে গুগল এডসেন্স এর বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে ইউটিউব থেকে আয় করতে পারেন। ইউটিউব থেকে আয় যা হবে তাঁর একটা পার্সেন্টেজ ইউটিউব রাখবে। অনেক তরুণ তরুণীরাই এখন এই মাধ্যমটি পেশা হিসেবে নিয়েও অনলাইনে আয় করছে। [ এটিও পড়ুন – ব্লগিং করে সহজে ইনকাম করার ৫টি উপায় ]

ব্লগিং করে টাকা ইনকামঃ

ব্লগিং করে অনলাইনে আয় টাকা ইনকামের একটি চমৎকার উপায়। যেকোন ডোমেইন-হোস্টিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান থেকে সামান্য বাৎসরিক ফি দিয়ে একটি ডোমেইন নেম আর হোস্টিং নিয়ে, নিজেই বানিয়ে ফেলুন নিজের ওয়েবসাইট। শুরুতে ওয়েব সাইট বানানো, ডোমেইন হোস্টিং কেনা এসব সিদ্ধান্ত নিতে এবং বুঝতে অসুবিধা হলে অভিজ্ঞ কারো সহযোগিতা নিন। ওয়েব সাইট বানানোর পর নির্দিষ্ট বিষয় নির্বাচন করে আর্টিকেল লিখতে থাকুন। গুগলের এড প্রোগ্রাম- গুগল এডসেন্স চালু করে আপনি আয় করতে পারেন আপনার লিখা আর্টিকেল থেকে। এক্ষেত্রে আপনার কিছু মার্কেটিং নলেজও (যাকে এসইও বলে) থাকা লাগেব।

২০% ছাড়ে! এখান থেকে ডোমেন- হোস্টিং কিনুন

ফ্রিল্যান্সীং করুনঃ

অনলাইনে আয় বা টাকা ইনকাম করার জন্য ঘরে বসে বাইরের কোন বায়ারের কাজ করে দেয়াকে ফ্রিল্যান্সীং বলে। অনলাইনে আয় বলতে গেলে এই ধারনাটিই সবার প্রথমে আসে। এরুপ সাইট হল- ইল্যান্স ডট কম www.freelancer.com, www.upwork.com, www.microworkers.com ইত্যাদি। এসব সাইটে প্রতি ঘন্টায় কয়েক হাজার কাজ জমা পড়ে। কাজগুলোতে অনলাইনে আয় এর জন্য আগ্রহিরা আবেদন করে থাকে। নির্দিষ্ট একটি বিষয়ে কাজ শিখে আপনিও অনলাইনে আয় করতে পারেন ফ্রিল্যান্সিং করে।

এফিলিয়েট মার্কেটিংঃ

অন্যের পণ্য বা সেবা প্রচার এবং প্রচারনার মাধ্যমে বিক্রি করে দেওয়া বা বিক্রি করতে সাহায্য করা এবং সেটা থেক নির্দিষ্ট হারে কমিশন গ্রহন করা হচ্ছে একজন মার্কেটারের এফিলিয়েট। আর এই পুরো প্রক্রিয়াটিই এফিলিয়েট মার্কেটিং। [ এটিও পড়ুন –ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে আজীবন আয় করুন ]

এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে তিনটি পক্ষ থাকেঃ

১। পণ্য বা সেবা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান

২। নেটওয়ার্ক

৩। এফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে আয়।

উল্লেখিত চারটি আয়ের পদ্ধতি হলো অনলাইনে আয় সবচেয়ে পরীক্ষিত এবং প্রফেশনাল পদ্ধতি। তাই এই চারটি আয়ের উপায়ের মধ্যে যে কোন একটিকে ক্যারিয়ার হিসেবে বেঁচে নিয়ে আপনিও আয় করতে পারেন। আর কাজ শেখার জন্য গুগলে অনেক আর্টিকেল এবং ইউটিউবে অনেক ভিডিও পাবেন। আপনাকে যা করতে হবে শুধু নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করে আর্টিকেল আর ভিডিও গুলো পড়ে ও দেখে নিতে হবে। তবেই আপনি আয় করতে পারবেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button