স্বাস্থ্যভাবসম্প্রসারণবিজ্ঞানরিসেপিজানা অজানারান্নাঘর

কিছু খাবারের বিধি নিষেধ, মানলে আপনারই লাভ

কিছু খাবারের বিধি নিষেধঃ  এই পোষ্টে কিছু খাবারের বিধি নিষেধ নিয়ে আলোচনা করা হল। উক্ত খাবার গুলি মেনে চলে আপনি অনেক ভালো থাকবেন। নিম্নে কোন খাবার কোন সময় খাবেন না, আলোচনা করা হল।  এটিও পড়ুন – কাঁচা আমের জেলি বা জ্যাম তৈরি করার পদ্ধতি

কিছু খাবারের বিধি নিষেধ, মানলে আপনারই লাভ

১) মাছ মাংস ও দুধ

মাছ মাংস দুধ এক সাথে খাওয়া ভাল নয়। অথাৎ মাছ মাংস যখন খেতে হয়, তখন দুধ না খেয়ে, দু-এক ঘণ্টা বাদে দুধ খাওয়া উচিত। তিনটি জিনিষ একত্রে খেলে বাতের রােগ হয়।

২) রাতে দই 

রাত্রিতে দই খাওয়া অনুচিত। দিনের বেলাতেও দই থেলে শ্লেঘ্মা অত্যন্ত বৃদ্ধি পায়।

৩) চৈত্র মাসে শুড় অথবা মিষ্টি 

চৈত্র মাসে গুড় অথবা মিষ্টি বেশী খাওয়া ভাল নয়। কারণ চৈত্র মাসে গুড় খেলে কৃমি প্রচুর পরিমাণে বৃদ্ধি পায়। তাতে কলেরা, পেটের অসুখ ও আমাশয় রোগ হয়।

৪) সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ খবার না খাওয়া

যতক্ষণ সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ থাকবে ততক্ষণ কোন খাবার খাবেন না। ঐ সময়ে খেলে বিভিন্ন রোগ জীবাণু দেহে প্রবেশ করে।

৫) চৈত্র, বৈশাখ ও কার্তিক মাসে মাছ না খাওয়া ভালো

চৈত্র, বৈশাখ ও কার্তিক মাসে মাছ খাওয়া ভাল নয়। কারণ চৈত্র। ও বৈশাখ মাসে মাছের বসন্ত রােগ হয়। কার্তিক মাসে মাছ খেলে। শ্রেয়া বৃদ্ধি পায়। এটা শীতকালের ঠোট ফাটার একটি কারণ।

৬) কার্তিক মাসে অতি অল্প আহার

কার্তিক মাসে অতি অল্প খেতে হয় অর্থাৎ যত কম খেলে চলে! কারণ এই মাসে অতিরিক্ত খেলে বায়ু, পিত্ত, কফ বৃদ্ধি হয়, এছাড়া পেটের অসুখ হবেই।

৭) পৌষ মাসে – পৌষ মাসে অন্যান্য মাসের চেয়ে খাদ্য বেশী খেতে হবে এই মাস টানের মাস। কম খাদ্য খেলে শরীর দুর্বল হয়।

৮) অমাবস্যা, পূর্ণিমা ও একাদশীতে মাছ মাংস – অমাবস্যা, পূর্ণিমা ও একাদশীতে মাছ মাংস ভাত না খাওয়াই ভাল, আটার রুটি অথবা ফল খাওয়া ভাল। না হলে শরীরের শ্রেয়া বৃদ্ধি পাবে।

৯) মুড়ি, মধু ও ঘি  -মুড়ি, মধু ও ঘি খেলে জল খেতে নেই। ভরা পেটে ঘি খেতে নেই। তাতে অম্বলের রোগ হয়।

১০) সন্ধ্যার সময় আহার করতে নেই। এই সময় খেলে শরীরের বিশেষ ক্ষতি হয়।

১১) তাল ও কলা– তাল ও কলা এক সঙ্গে খেতে নেই। এটা খেলে ক্রিমি বৃদ্ধি হয়। ঘণ্টার মধ্যে ক্রিমির উপদ্রব অনুভব হবে।

১২) কলা গুড় অথবা চিনি বাতাসা -কলা গুড় অথবা চিনি বাতাসা একসঙ্গে খাওয়া উচিৎ নয়। এর ফলেও ক্রিমি অত্যন্ত বৃদ্ধি পায়।

এগুলিও পড়ুন

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button