ভাবসম্প্রসারণস্বাস্থ্য

হাঁচি-কাশি থেকে বাঁচতে কী কী করনীয় জেনে নিন

ঘর থেকে বের হলেই শুরু হাঁচি আর কাশি। গলা খুসখুস, শুকনো কাশি নিয়ে বিব্রত হতে হয় অনেক জায়গায়। কেন এমন হচ্ছে, তা বুঝে উঠতে পারে না অনেকেই। এর অন্যতম কারণ হলো ধুলাবালু। বাতাসে আরও ওড়ে নানা রকম ক্ষুদ্র কণা ও পদার্থ। এগুলো শ্বাসনালি দিয়ে ঢুকে ফুসফুসে অ্যালার্জি সৃষ্টি করে। এ কারণেও কাশি হতে পারে।

কারও কারও আবার এসব ধুলাবালুর কারণে ত্বকে চুলকানি বা র‍্যাশও হতে পারে। এ থেকে রেহাই পাওয়ার উপায় কী?

আমাদের দেশে এসব দূষণ থেকে মুক্তি পাওয়া আসলেই কষ্টকর। কেবল ধুলাবালু নয়, গাড়ির ধোঁয়া, উড়ে আসা আবর্জনার কণা, বাতাসে ছুড়ে ফেলা মানুষের কফ-থুতু মিলিয়ে পরিস্থিতি সত্যিই করুণ। তারপরও সচেতন হওয়ার চেষ্টা তো করতে হবে। নিজেকে ও পরিবেশকে রক্ষা করার চেষ্টা করা ছাড়া উপায় কী!

যাঁদের ধুলাবালুতে অ্যালার্জি আছে, তাঁরা বাইরে যাওয়ার সময় ফেস মাস্ক পরে নিলে কিছুটা রেহাই পাবেন। কিন্তু তারপরও আক্রান্ত হতে পারেন। যাঁরা মোটরসাইকেল চালান, তাঁরা একটু আঁটসাঁট ও ঢাকা পোশাক পরবেন। এতে অনাবৃত ত্বকে ঠান্ডা খোলা বাতাস লাগবে না।

বাসে বা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় চড়লে যে হাত দিয়ে গাড়ির আসন ও হাতল ধরেছেন, পরে তা অবশ্যই ধুয়ে ফেলবেন। বাড়ি ফিরে জামাকাপড় ধুয়ে ফেলুন এবং ভালো করে গোসল করুন।

শীতাতপনিয়ন্ত্রিত যানবাহনে বাইরের ধুলাবালু কম লাগে। কিন্তু অনেক সময় ব্যক্তিগত গাড়ি থেকেও অ্যালার্জির উপাদান পাওয়া যায়। গাড়ির সিট ও পাপোশ নিয়মিত পরিষ্কার করা উচিত। গাড়ি ঝাড়ার জন্য পালকের ঝাড়ু ভালো নয়; এতে আরও ধুলা উড়বে। ভালো হয় হালকা ভেজা কাপড় দিয়ে গাড়ির ভেতর ও বাইরে যদি পরিষ্কার করা যায়। মাঝেমধ্যে ওয়ার্কশপে নিয়ে ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং করা আরও ভালো।

যাঁদের বেশি অ্যালার্জি হয় বা হাঁপানি হয়, তাঁরা বাইরে যাওয়ার আগে দুই পাফ ইনহেলার নিতে পারেন। বাড়ি ফিরে অ্যান্টিহিস্টামিন-জাতীয় কোনো ওষুধ প্রয়োজন পড়লে খেয়ে নেওয়া যায়।

পরিবেশ ভালো রাখতে খোলা জায়গায় আবর্জনা, থুতু বা কফ ফেলা থেকে বিরত থাকুন। লোকজনের সামনে হাঁচি-কাশি দিতে হলে অবশ্যই মুখে হাত বা রুমাল দিন। পরে হাত বা রুমাল ধুয়ে ফেলুন।

সোর্স – প্রথম আলো।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button