পড়াশোনা

জীব বিজ্ঞান সংক্রান্ত কয়েকটি যন্ত্রের ব্যবহার

জীববিজ্ঞান এর পাশ্চাত্য প্রতিশব্দ Biology, যেটি দুটি গ্রিক শব্দ βίος(bios) যার অর্থ জীবন , এবং λογία(logia) যার অর্থ জ্ঞান থেকে এসেছে । জীববিজ্ঞান বিজ্ঞানের একটি শাখা যেখানে জীব ও জীবন সংক্রান্ত গবেষণা করা হয়।

জীব-বিজ্ঞান সংক্রান্ত কয়েকটি যন্ত্রের ব্যবহার ●

  • মাইক্রোস্কোপ (Microscope) : খালি চোখে দেখা যায় না এমন বস্তু পর্যবেক্ষণ করা হয়। যেমন—ভাইরাস, ব্যাকূটিরিয়া, কোষ, রক্ত, উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহাংশের ছেদ ইত্যাদি।
  • স্টেথোস্কোপ (Stethoscope) : এটি বক্ষ নিরীক্ষণ যন্ত্র, যার সাহায্যে হৃদ্‌গতি, হৃদধ্বনি, ফুসফুসের বিভিন্ন অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়।
  • অথ্যালমোস্কোপ (Opthalmoscope) : চক্ষুর রেটিনা ও ভিতরের বিভিন্ন অংশ পর্যবেক্ষণ করা হয়।
  • স্ফিগমোম্যানোমিটার (Sphygmomanometer) : রক্তচাপ পরিমাপ করা হয়।
  • স্পাইরোমিটার (Spirometer) : এর সাহায্যে ফুসফুসের বায়ুর পরিমাণ নির্ণয় করা হয়।।
  • হিমোসাইটোমিটার (Haemocytometer) : রক্ত কোষ গণনা করা হয়।
  • হিমোগ্লোবিনোমিটার (Haemoglobinometer) বা হিমোমিটার (Haemormeter) : হিমোগ্লোবিন পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়।
  • অলফ্যাক্টোমিটার (Olfactometer) : ঘ্রাণ অনুভূতির তারতম্য নির্ধারণ করা হয়।
  • অক্সানোমিটার (Auxanometer) : উদ্ভিদের কাণ্ড ও মূলের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পরিমাপ করা হয়।
  • আর্ক ইণ্ডিকেটর (Are indicator) : উদ্ভিদের কাণ্ডের দৈর্ঘ্যের বৃদ্ধির হার নির্ণয় করা হয়।
  • বেনেডিক্ট রথ যন্ত্র (Benedict – Roth Apparatus ) : এই যন্ত্রের সাহায্যে BMR নির্ণয় করা হয়।
  • ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটার (Clinical Thermometer) : এর সাহায্যে মানুষের শরীরের তাপমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।
  • ভিসকোমিটার (Viscometer) : রক্তের সান্দ্রতা নির্ণয় করা হয়।
  • উইনট্রোব টিউব (Wintrobe Tube ) : ESR অর্থাৎ লোহিত কণিকার থিতানোর হার পরিমাপ করা হয়।
  • মাইক্রোমিটার (Micrometer) : এর সাহায্যে ক্ষুদ্র কোষের ব্যাস নির্ণয় করা হয়।
  • বম ক্যালোরিমিটার (Bom Calorimeter) : খাদ্যবস্তুর ক্যালোরি মূল্য নির্ণয় করা হয়।
  • স্টেথোগ্রাফ্ (Stethograph) বা বক্ষলেখ যন্ত্র এর সাহায্যে বক্ষপ্রাচীরের উঠানামা (প্রশ্বাস ও নিশ্বাসকালীন) রেকর্ড করা হয়।
  • কারডিওমিটার (Cardiometer): এর সাহায্যে হৃদ্-উৎপাদ নির্ণয় করা হয়।
  • গ্যালভানোমিটার (Galvanometer) : এর সাহায্যে ECG-র তরঙ্গ রেকর্ড করা হয়।
  • ডগ্ লাস ব্যাগ (Douglas bag): এর সাহয্যে ফুসফুসে অক্সিজেন গ্রহণের পরিমাণ নির্ধারণ, খাদ্যের তাপন মূল্য নির্ণয় করা এবং BMR নির্ণয় করা হয়।

এগুলিও পড়তে পারেন -

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

seven + seven =

Back to top button