চাকুরীপড়াশোনা

Biodata লেখার নিয়ম, চাকুরীর জীবনী পুঞ্জি লেখার নিয়ম – CV, Resume

বায়োডাটা (Biodata) শব্দের অর্থ জীবন বৃত্তান্ত। বায়ডোাটা শব্দটির পরিবর্তে আরও দুটি শব্দ ব্যবহার করা হয়। একটি রেজুমে (Resume) আরেকটি সিভি (CV) অর্থাৎ কারিকুলাম ভিটা (Curiculum Vita)। সিভির পরিবর্তে রেজুমে শব্দটি প্রয়োগ করা হলেও কারিকুলাম ভিটা কিন্তু প্রায়োগিক অর্থে রেজুমে বা সিভি নয়। যদিও সিভি এবং রেজুমে শব্দ দুটি একই উদ্দেশ্য সাধন করে, দুটোই নিয়োগকর্তার কাছে একজন আদর্শ প্রার্থীর যোগ্যতা, দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা তুলে ধরে। এদের পার্থক্য মূলত গঠন, বিবরণ, দৈর্ঘ্য এবং প্রয়োগের ক্ষেত্রে। নিম্নে বায়োডাটা লেখার কয়েকটি নিয়ম শেয়ার করা হল।

প্রথমতঃ objective, আপনার Objective কোম্পানির কাছে বড় কিছু না। আপনার জীবনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য… এইসব কোম্পানির কাছে কিছুইনা, তাদের কাছে এটা অপ্রাসঙ্গিঙ্ক, আপনি চাইলে লিখতে পারেন । কিন্তু এড়িয়ে চলা ভাল, মনেরাখবেন সিভি যত ছোটো ও অর্থবহ করে তোলা যায় ততোয় ইন্টারভিউতে ডাক আসার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। আর একটি কথা, বৃত্তান্তে আপনার বাবা, মা এর নাম, আপনি ধুম্পান করেন কিনা, আপনার উচ্চতা, রক্তের গ্রূপ দেওয়ার কোন দরকার নাই। মনে রাখবেন এটা চাকরীর বৃত্তান্ত আপনার বিয়ের জীবনবৃত্তান্ত নয়। আপনার প্রফেশনাল তথ্য  দিন, পারসনাল বা ফিজিকাল তথ্য নয়।

দ্বিতীয়তঃ Professional Experiences টি আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার পরে আসা উচিৎ,  অনেকের অনেক মত। কিন্তু আমার মতে যেহেতু আপনি শিক্ষাগত যোগ্যতা উৎরানোর পরেই কর্ম জীবনে প্রবেশ করেছেন সেখেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা আগে দেওয়া ভাল। এটা আমার যুক্তি, শিক্ষাগত যোগ্যতা দেওয়ার ক্ষেত্রে সর্বশেষ যোগ্যতা আগে ও সর্বপ্রথম যোগ্যতা পরে দিয়ে থাকি আমরা। আমার মতে সর্বশেষ দুইটা শিক্ষাগত যোগ্যতা দিলেই যথেষ্ট। কারন যে  M.Sc করেছে সে নিশ্ছই H.S ও পাস করেছে। সেক্ষেত্রে H.Sc  উল্লেখ না করলে ও কোন ক্ষতি নেই বরং লাভই ।

তৃতীয়তঃ Professional Experiences লিখার সময় যেই জিনিসটি একটু খেয়াল রাখতে সেটি হল আপনার দায়িত্ব/Responsibilities. স্পষ্টভাবে লিখতে হবে আপনি কি দায়িত্ব পালন করেছেন এবং যদি আপনার কোন প্রাপ্তি/ সম্মাননা/ Achievement থাকে অতিত ও উল্লেখ করতে হবে এতে আপনার কাজ সম্বন্ধে কোম্পানি স্পষ্ট ধারনা লাভ করবে। আর যদি একদমি ফ্রেশার হন তাহলে এসব নিয়ে ভাবার দরকারই নাই । আর একটি কথা, আপনার কাঙ্খিত চাকরীর সাথে সম্পর্কিত অভিজ্ঞতাটি আগে লিখুন এরপর অন্যান্য।

চতুর্থতঃ  এরপর আপনার যদি কোন বাড়তি যোগ্যতা থাকে ওইটা লিখুন, অবশ্যই মিথ্যা কথা এড়িয়ে চলুন।

পঞ্চমঃ এরপর আপনার শখ বা অবসর সময়ে কি করেন ওইটা উল্লেখ করুন। এক্ষেত্রে একটু চালাকি করতে হবে। সবসময় চাকরীর সাথে সংযুক্ত কোন শখ উল্লেখ করুন, যেমন আপনি যদি মার্কেটিং এঁর কোন চাকরীতে আবেদন করেন তবে আপনার শখ আড্ডা দেওয়া হলে ভাল। কারন আপনি আড্ডা দেন এঁর অর্থ আপনার নেটওয়ার্ক ভাল, আপনি ভাল  বিক্রি করতে পারবেন। শেষে যুক্ত করুন আপনার যদি কোন অতিরিক্ত এবং উল্লেখযোগ্য কার্জকলাপ থাকে। সর্বশেষে আপনার রেফারেন্স যুক্ত করুন। যদি আপনার অভিজ্ঞতা থাকে তাহলে আপনার কর্মক্ষেত্রে কোন গুরুত্বপূর্ণ পদের কার রেফেরেন্স দিন, দেয়ার আগে অবশ্যই রেফারী কে জানিয়ে দিন, নাহলে বিপদে পরতে পারেন। নীচে একটি আধুনিক জীবনবৃত্তান্তের মডেল উপস্থাপন করলাম

Name    :  
Father`s   : 
Mother`s name  :
National ID :
Birth Certificate No  :
Permanent address  :
Mailing address  :
eMail address  :
Date of birth   :
Marital status  :
Nationality   : India
Religion   : Hindu/ Muslin
Contact number  :
Academic qualifications :

PassBoardYearsGrade/ Percentage
M.P   
H.S   
B.A   

এখন প্রশ্ন হল কোথায় বায়োডাটা লিখবেন?
বায়োডাটা আপনি নিজে নিজে লিখতে পারবেন আপনার ডেক্সটপ কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপে কম্পিউটারে Microsoft Office Word এ। উপরের ফরমেট টি সাহায্য নিতে পারেন। এছাড়া ও অনলাইনে বায়োডাটা লেখার অনেক ওয়েবসাইট পাবেন।

Related Articles

One Comment

  1. খুবই ভালো লাগলো, আপনার প্রত্যকতি পোস্ট খুবই ভালো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button