ভ্রমণইতিহাসজানা অজানাপূজা পদ্ধতি

দেবীর পীঠ ও প্রসিদ্ধ তীর্থস্থান – 51 পীঠ ও তীর্থস্থান

দেবীর পীঠ ও প্রসিদ্ধ তীর্থস্থান সম্পর্কিত তথ্য নিয়ে আজকের এই পোষ্ট। দেবীর পীঠ ও প্রসিদ্ধ তীর্থস্থান সমূহ। জেনে নিন – – 51 পীঠ ও তীর্থস্থান এর তথ্য। এটিও পড়ুন – ভারতের দর্শনীয় স্থান সমূহ কোন রাজ্যে কী কী

শক্তিপীঠ হিন্দুধর্মের পবিত্রতম তীর্থগুলির অন্যতম। লোকবিশ্বাস অনুসারে, শক্তিপীঠ নামাঙ্কিত তীর্থগুলিতে দেবী দাক্ষায়ণী সতীর দেহের নানান অঙ্গ প্রস্তরীভূত অবস্থায় রক্ষিত আছে। সাধারণত ৫১টি শক্তিপীঠের কথা বলা হয়ে থাকলেও, শাস্ত্রভেদে পীঠের সংখ্যা ও অবস্থান নিয়ে মতভেদ আছে। পীঠনির্ণয় তন্ত্র গ্রন্থে শক্তিপীঠের সংখ্যা ৫১। শিবচরিত গ্রন্থে ৫১টি শক্তিপীঠের পাশাপাশি ২৬টি উপপীঠের কথাও বলা হয়েছে। কুব্জিকাতন্ত্র গ্রন্থে এই সংখ্যা ৪২। আবার জ্ঞানার্ণবতন্ত্র গ্রন্থে পীঠের সংখ্যা ৫০। ভারতীয় উপমহাদেশের নানা স্থানে এই শক্তিপীঠগুলি ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। কলকাতার কালীঘাট, বীরভূমের বক্রেশ্বর, নলহাটি; বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ভবানীপুর ইত্যাদি বাংলার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তিপীঠ

দেবীর পীঠ ও প্রসিদ্ধ তীর্থস্থান – 51 পীঠ ও তীর্থস্থান

দক্ষযজ্ঞে সতী দেহত্যাগ করিলে মহাদেব মৃতদেহ স্কন্ধে লইয়া উন্মত্তবৎ নৃত্য করিতে থাকেন, বিষ্ণু সেই দেহ চক্র দ্বারা ছেদন করেন, উহা যে যে স্থানে পতিত হয়, সেই সেই স্থানকে পীঠস্থান কহে।
১। হিঙ্গুলায়ঃ (সতীর ব্রহ্মার পতিত হয় ; এখানে বিগ্রহঃদেবী কোটরী ও ভীমলােচন ভৈরব):কলিকাতা হইতে রেলে মুম্বাই পৌছিয়া, স্টিমারে করাচি ২৫০ ক্রোশ, তৎপরে সমুদ্রের দিয়া উদ্ট্রপৃষ্ঠে বা পদব্রজে ৪৫ ক্রোশ যাইতে হয়। এখানে অন্ধকারময় গুহার মধ্যে জ্যোতি দেখা যায়।
২।শর্করা বা করবীরপুরেঃ (তিন চক্ষু ; দেবী মহিষমর্দিনী, ক্রোধীশ ভৈরব)ঃকরাচি হইতে পর্কয় স্টেশনে নামিয়া যাইতে হয়।
৩। জ্বালা-মুখীতেঃ (জিহ্বা ; দেবী অম্বিকা (সিদ্ধিদাতা), ভৈরব উন্মত্তা):কলিকাতা হইতে রেলে গাজিয়াবাদ ৪৪৫ ক্রোশ, পরে পুনরায় রেলে জলন্ধর ১২১ ক্রোশ; তথা হইতে ডুলি কিংবা টাঙ্গায় যাইতে হয়।
৪| সুগন্ধায়ঃ (নাসিকা; দেবী সুনন্দা, ভৈরব ত্র্যম্বক)ঃবরিশালের সাড়ে ৫ ক্রোশ উত্তরে শীকারপুর গ্রামে মায়ের মন্দির, পদব্রজে যাইতে হয়। ত্রম্বক ভৈরবের মন্দির ঝালকাটি স্টেশন হইতে ৫ মাইল দক্ষিণে পােণাবালিয়া। শিবচতুর্দশী বহু যাত্রীর সমাগম হয়। শ্যামরাইল গ্রামে সুগন্ধার (বর্তমান নাম সৌন্ধ্যা) তীরে অবস্থিত।
৫। ভৈরব পর্বত অবন্তী দেশে (উর্দ্ধ ওষ্ঠ ; দেবী অবন্তী, ভৈরব লম্বকর্ণ)ঃকলিকাতা হইতে.৫৩০ ক্রোশ দূরে উজ্জয়িনী নিকটবর্তী।
৬। অট্টহাসেঃ (অধঃ ওষ্ঠ ; দেবী ফুল্লরা, ভৈরব বিশ্বেশ)বীরভূম হইতে আমেদপুর স্টেশন যাইতে হয়, আমোদপুর হইতে লাভপুর সওয়া তিন ক্রোশ, তাহার ঠিক পূর্বে কলিকাতা হইতে ৫৬ ক্রোশ দূরে অট্টহাস অবস্থিত। মায়ের প্রকাণ্ড শিলা মূৰ্ত্তি অধঃ ওষ্ঠাকৃতি প্রায় ১০-১২ হাত স্থান বিস্তৃত। শিবাভােগ প্রভৃতি এখানকার আশ্চর্য দৃশ্য। উক্ত মন্দির পার্শ্বে ভারতের মন্দির।
৭। প্রভাসেঃ (উদর ; দেবী চন্দ্রভাগা, ভৈরব বক্রতুণ্ড)হাওড়া হইতে ই, আই, জি, পি, রেলে মুম্বাই; মুম্বাই ১৮ হইতে স্টিমারে ভেরােয়াল বন্দর ; তথা হইতে প্রভাস। অন্যদিক দিয়া রেলপথে যাওয়া যায়।

৮। জনস্থানে (চিবুক; দেবী শ্রামরী, বিকৃতাক্ষ ভৈরব)মতাগুরে জলে ও স্থলে মায়ের চিবুক পড়ে, তথায় দেবী ভ্রামরী নাম চিবুকা, ভারতের নাম সিদ্ধেশ।
৯। গোদাবরী তীরেঃ (বাম গণ্ড; দেবী বিশ্ব মাতৃকা, ভৈরব দণ্ডপানি)।
১০। ওকী নদীতে (দক্ষিণ গণ্ড ; দেবী গণ্ডকীচ্ডী, ভৈরব চক্রপাণি)। এখানে সাধকের সিদ্ধি নিঃসংশয়।
১১শুচিদেশেঃ (উদ্ধদপংক্তি ; দেবীনারায়ণী, সংহার ভৈরব)। পঞ্চসাগরেঃ (অধাদশুপংক্তি, দেবী বারাহী, ভৈরব মহাক)।
১২।করতােয়া তট (বামতল্প, মতানুসারে দেবীর বসন পতিত হয় ; দেবী অপর্ণা, বামন ভৈরব)ঃরেলে দামুকদিয়া ঘাট দিয়া বগুড়া স্টেশন। তথা হইতে সেরপুরের ভিতর দিয়া ৪ ক্রোশ দক্ষিণে যাইতে হয়। এই স্থানের বর্তমান নাম বানীপুর। নাটোর রাজার পূর্ব পুরুষ সাধকপ্রবর মহারাজ রামকৃষ্ণ এইখানে তপস্যা করিতেন; এখনও তাহার তপস্যাসন, যজ্ঞকুণ্ড ও পঞ্চমুণ্ড প্রভৃতি দেখিতে পাওয়া যায়। বৈশাখের শনি ও মঙ্গলবারে, রামনবমী ও দীপান্বিতায় এখানে মেলা হয় ও বহু লােকের আগমন হইয়া থাকে।
১৩। শ্ৰীপব্ব্বতে (দক্ষিণত ; দেবী শ্রীসুন্দরী, সুন্দরানন্দ ভৈরব)।
১৪। কর্ণাটেঃ (কর্ণ দ্বয় ; দেবী জয়দুর্গা, ভৈরব অভীরুক)।
১৫। কিরীটেঃ (রিট; দেবী বিমলা, ভৈরব সংব)ঃরেলে আজিমগঞ্জ শাখা দিয়া যাইতে হয়। গঙ্গাতীরে বাটানগর নিকটে।
১৬। বৃন্দাবনে (কেশ ; দেবী উমা, ভৈরব ভূতেশ); উনি সর্ব সিদ্ধি প্রদায়ক। ;
১৭। শ্রীহট্টের (গ্রীবা ; দেবী মহালক্ষ্মী, ভৈরব সব্বানন্দ)শ্রীহট্ট শহর হইতে দেড় মাইল দূর অগ্নিকোণে গােট্টাটিকারঃজৈনপুরে ভৈরব ও পীঠস্থান অবস্থিত। এখানে শিবরাত্রি ও অশোেকাষ্টমীতে মেলার অনুষ্ঠান হইয়া থাকে।কলিকাতা হইতে রেলে গােয়ালন্দ হইয়া স্টিমারে শ্রীহট্টে অথবা কেচুগঞ্জে পৌছিয়া নৌকায় বা পদব্রজে হয় ক্রোশ যাইতে হয়।
১৮।নলহাটিতে (নলী; দেবী কালিকা, ভৈরব যােগীশ)ঃরেলে হওড়া হইতে সাড়ে ৭২ ক্রোশ যাইতে হয়।
১৯। কাশ্মীরের (কণ্ঠ ; দেবী মহামায়া, ভৈরব ত্রিসঙ্ধ্যেশ্বর) তীর্থ অমরনাথ।
২০। রত্নাবলীতেঃ (দক্ষিণ স্কন্ধ ; দেবী কুমারী, ভৈরব শিব)।
২১। মিথিলা (বাম স্কন্ধ ; দেবী মহাদেবী, ভৈরব মহাদেব)জনকপুর রোড স্টেশনের সন্নিকটে।
২২। চট্টগ্রামে বা চট্টলেঃ (দক্ষিণ বাহু; দেবী ভবানী, ভৈরব চন্দ্রশেখর)। স্বয়ং মহাদেব বলিয়াছেন, কলিযুগে চন্দ্রশেখর পৰ্ব্বতে আমি নিয়ত বাস করি। বাংলাদেশে সীতাকুণ্ড স্টেশন হইতে যাইতে হয়।
২৩। মানব ক্ষেত্রেঃ (দক্ষিণ হস্তার্দ্ধ ; দেবী দাক্ষায়ণী, ভৈরব অমর) ; ইনি সৰ্ব্বসিদ্ধিপ্রদায়ক।
২৪। উজানীতেঃ (কনুই; দেবী মঙ্গলচণ্ডী, ভৈরব কপিলাম্বর)। ইনি মঙ্গলপ্রদ ও সাক্ষাৎ সিদ্ধিপ্রদায়ক। হাওড়া হইতে গুসকরা স্টেশনে পৌছিয়া তথা হইতে গােযানে ১ ক্রোশ দূরে কোগ্রাম নামক স্থানে যাইতে হয়। ইহা শ্রীমার জন্মস্থান।
২৫। মণিবন্ধেঃ (কর গ্রন্থি ; দেবী গায়ত্রী, ভৈরব সব্বানন্দ)।
২৬। প্রয়াগেঃ (হস্তের দশ অঙ্গুলি ; দেবী ললিতা, ভৈরব ভব)ঃকলিকাতা হইতে রেলে ২৮২ ক্রোশ দূরে এলাহাবাদ তথা হইতে বেণীতীর্থ ঘাট দুক্রোশ দূরে অবস্থিত আলােপী (ললিতার নামকরণ) দেবী ত্রিবেণী ঘাট হইতে অদ্ধ্ধ ক্রোশ দূরে বিদ্যমান।
২৭। বাহুলায়ঃ (বাম বাহু ; দেবী বাংলা, ভৈরব ভীরুক) ; ইনি সৰ্বসিদ্ধিপ্রদায়ক। হাওড়া হইতে রেলে কাটোয়া পর্যন্ত। কাটোয়ার অন্তর্গত কেতুগ্রাম তীর্থস্থান।
২৮। জলন্ধর (প্রথম স্তন; দেবী ত্রিপুরা মালিনী, ভৈরব ভীষণ) জ্বালামুখী তীর্থ। রেলে দিল্লী হইয়া জলন্ধর।
২৯। রামগিরি বা চিত্রকুট পৰ্ব্বতেঃ(দ্বিতীয় স্তন ; মতান্তরে নালা বা জঘনাস্থি, দেবী শিবানী, ভৈরব চণ্ড)। কলিকাতা হইতে রেলে বিলাসপুর স্টেশনে পৌছিয়া ৩ ক্রোশ পদব্রজে যাইতে হয়।
৩০। বৈদ্যনাথ (হৃদয় ; দেবী জয় দুর্গা, ভৈরব বৈদ্যনাথ)।
৩১। উকুলে ঃ (নাভি ; দেবী বিমলা, ভৈরব জগন্নাথ)। পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের নিকট।
৩২। কাঞ্চি দেশে ও (কঙ্কাল ; দেবী দেবগর্ভা ; ভৈরব রুরু)। বোলপুর স্টেশনের দুই ক্রোশ দূরে কোপাই নদীর তীরে অবস্থিত। এখানে একটি কুণ্ড আছে, তাহাতে সাধারণে পূজাদি করিয়া থাকেন।
৩৩। কালমাধবেঃ (দক্ষিণ নিতম্ব ; দেবী কালী, ভৈরব অসিতানন্দ)। এইস্থানে দেবীকে পুনঃ পুনঃ দর্শন ও প্রণাম করিয়া সাধক মন্ত্র সিদ্ধিলাভ করেন।
৩৪। শানে (বাম নিতম্ব; দেবী নর্মদা, ভৈরব ভদ্রসেন)।
৩৫। কামরূপে বা কামাক্ষা (মহামুদ্রা যােনিপীঠ; দেবী কামাক্ষ্যা, ভৈরব উমানন্দ)। গোহাটী হইতে ৯ ক্রোশ। যে পৰ্ব্বতে ত্রিগুণাতীত হইয়াও আমি রক্তপাষাণরূপিণী, যে স্থানে সাক্ষাৎ হয়গ্রীব রাঘব এবং উমানন্দ নামে ভৈরব অবস্থিত, যে ক্ষেত্র দেবী মোক্ষদার নিত্য বিহার স্থান, সেই নিত্য-প্রত্যক্ষ প্রভাময় ক্ষেত্রে জীবের মুক্তি নিঃসংশয়। অম্বুবাচীতে কামাক্ষ্যা দর্শন প্রশস্ত।
৩৬। নেপালেঃ (জানু দ্বয় ; দেবী মহাশিরা, ভৈরব কালী)।

৩৭। জয়ন্তীতে (বাম জঙ্ঘা ; দেবী জয়ন্তী, ভৈরব ক্রমদীশ্বর)। শ্রীহট্টের অন্তর্গত জয়ন্তীয়া পরগনার খাসিয়া পর্বতের পাদদেশে দেবীর উরুদেশের প্রতিকৃতি দেখিতে পাওয়া যায়, ইহাই জয়ন্তীপীঠ। শ্রীহট্ট হইতে বর্ষায় স্টিমারে ও হেমন্তে নৌকায় কানাইর ঘাট পৌছিয়া পদব্রজে আড়াই ক্রোশ যাইতে হয়।
৩৮। মগধের (দক্ষিণ জঙ্ঘা ; দেবী সর্বানন্দ কারিণী, ভৈরব ব্যোমকেশ)।
৩৯। ত্রিপুরা (দক্ষিণ চরণ, দেবী ত্রিপুরাসুন্দরী, ভৈরব ত্রিপুরেশ)। ইনি সৰ্বাভীষ্ট প্রদায়িনী।
৪০ | ক্ষীরগ্রামেঃ (দক্ষিণ চরণের অঙ্গুষ্ঠ ; দেবী যােগাদ্যা, ভৈরব ক্ষীরকণ্ঠ)। ই. আই. রেলের বর্ধমান স্টেশন হইতে বর্ধমান কাটোয়া রেলের নিগম স্টেশনে যাইতে হয়। নিগম স্টেশন হইতে ক্ষীরগ্রাম দেড় ক্রোশ ; এখানে বৈশাখ সংক্রান্তিতে মহামেলা হয়।
৪১। কালীঘাটেঃ (দক্ষিণ চরণের ৪টি অঙ্গুলি ; দেবী কালী ও নকুলীশ ভৈরব, নকুলেশ্বর)। কলিকাতায় অবস্থিত।
৪২। কুরুক্ষেত্রের (দক্ষিণ পায়ের শুল; সাবিত্রীরূপা দেবীর নাম স্থাণু; ভৈরব অশ্বনাথ)। থানেশ্বরের নামার। মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত। ৪৩। বক্রেশ্বরেঃ (মন বা ভ্রমধ্য ; দেবী মহিষমর্দিনী, ভৈরবনাথ)কলিকাতা হইতে রেলে ১১১ মাইল আমােদপুর স্টেশনের ৭-৮ ক্রোশ পশ্চিমে, এখানে ৭টি উষ্ণ প্রস্রবণ কুণ্ড, পাপহরা নদী আছে। মহামুনি অষ্টাবক্র এইস্থানে সিদ্ধ হন। এখানে শিবরাত্রিতে মহামেলা হয়।
৪৪। যশােরেঃ (পানি পদ্ম ; দেবী যশােরেশ্বরী, ভৈরব চণ্ড)।
৪৫। নন্দীপুরেঃ (হার ; দেবী নন্দিনী, ভৈরব নন্দিকেশ্বরী কলিকাতা হইতে রেলে ৫৯ ক্রোশ সাঁইথিয়া স্টেশনে যাইতে হয়; স্টেশনের পূর্ব ধারে পীঠস্থান।
৪৬। বারাণসীতে (কুন্ডল ; দেবী বিশালাক্ষী, ভৈরব কাল)। যে স্থানে করোনা হইতে মণিময় কুণ্ডল পতিত হয়, সেই স্থানই মণিকর্ণিকা। কলিকাতা হইতে রেলে মোগলসরাই দিয়া বেনারস ১১৭ ক্রোশ।
৪৭। কন্যাশ্রমে বা কালিকাশ্রমেঃ (পৃষ্ঠ; দেবী শ্ববাণী, ভৈরব নিমিয)।
৪৮| লঙ্কায়ঃ (নুপুর ; দেবী ইন্দ্রাক্ষী, ভৈরব রাক্ষসেশ্বর)। এই ইন্দ্রাক্ষী দেবী পুরাকালে ইন্দ্র কর্তৃক উপাসিতা হইয়াছিলেন।
৪৯। বিরাটেঃ (পদাঙ্গুলি ; দেবী অম্বিকা, ভৈরব অমৃত)।
৫০। বিতাসকেঃ (বাম গুল ; দেবী ভীমরূপা, ভৈরব সব্ব্বানন্দ)। মেদিনীপুর জেলার তমলুকে।
৫১। ত্রিস্রোতা (বামপদ ; দেবী ভ্রামরী ও ভৈরব ঈশ্বর)। জলপাইগুড়ি জেলার তিস্তা নদীর তীরে শালবাড়ীগ্রামে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button