ইতিহাসচাকুরীজানা অজানাজি কে

পশ্চিমবঙ্গের গ্রাম পঞ্চায়েত সম্পর্কিত প্রশ্ন উত্তর

গ্রাম পঞ্চায়েত: পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ব্যবস্থা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের গ্রামীণ স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থার মূল ভিত্তি।  প্রাচীন ভারতে পাঁচজন সদস্য নিয়ে যে স্বশাসিত স্বনির্ভর গ্রামীণ পরিষদ গঠিত হত, তাকেই বলা হত পঞ্চায়েত। আধুনিককালে এই শব্দটির সঙ্গে যুক্ত হয় এক সমষ্টিগত চেতনা। ‘পঞ্চায়েত’ শব্দটির লোকপ্রচলিত অর্থ হয়ে দাঁড়ায় ‘পাঁচ জনের জন্য’।

এই পোষ্টে গ্রাম পঞ্চায়েত ২৫০+ প্রশ্ন উত্তর শেয়ার করা হল। বিভিন্ন পরীক্ষায় গ্রাম পঞ্চায়েত সম্পর্কিত প্রশ্ন উত্তরগুলি কাজে আসবে। ইংরেজী বিষয়ক কয়েকটি মজার টিপস ১০০% কাজের এর আগের পোষ্টে শেয়ার করা হয়েছে চাইলে দেখে নিতে পারেন।

পশ্চিমবঙ্গের গ্রাম পঞ্চায়েত সম্পর্কিত প্রশ্ন উত্তর

প্রশ্নঃ পঞ্চায়েত সমিতি কাকে বলে ?

উত্তরঃ পঞ্চায়েত সমিতি বলতে বােঝায় যা প্রতিটি অঞ্চলের জন্য আলাদাভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং রাজ্য সরকারের দ্বারা সেই প্রতিষ্ঠার কার্যটি সমাধা হয়।

প্রশ্নঃ পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত আইন কত খ্রিস্টাব্দ থেকে কার্যকরী হয়েছিল ?

উত্তর – ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে পঞ্চায়েত আইনের প্রথম বিধিটি কার্যকরী হয়েছিল। অতঃপর ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দের ১ ফেব্রুয়ারি পঞ্চায়েত আইনের অন্যান্য বিধিগুলি একই সঙ্গে কার্যক্রী হয়।

প্রশ্নঃ পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত আইন অনুসারে সংসদ বলতে কী বােঝানাে হয়েছে?

উত্তরঃ পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত আইন অনুসারে সংসদ বলতে বােঝানাে হয়েছে দার্জিলিং গােৰ্খা পার্বত্য সংসদ। এই সংসদটি গঠিত হয়েছে দার্জিলিং গােখা পার্বত্য সংসদ আইন ১৯৮৮-এর দ্বারা।

প্রশ্নঃ পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত আইন অনুসারে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত রাজনৈতিক সংগঠন বলতে কী বােঝানাে হয়ে থাকে ?

উত্তরঃ এই আইন অনুসারে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত রাজনৈতিক সংগঠন বলতে রাষ্ট্র পর্যায়ের অনুমােদিত এমন একটি রাজনৈতিক দলকে বােঝানাে হয়ে থাকে, যা নির্বাচন আধিকারিক দ্বারা মানাযতাপ্রাপ্ত।

প্রশ্নঃ ন্যায় পঞ্চায়েত কী ধরনের বিচার করে ?

উত্তর – ন্যায় পঞ্চায়েতে দেওয়ানি ও ফৌজদারি দুই ধরনের মামলারই বিচার করা হয়ে থাকে। তবে তার কয়েকটি সীমাবদ্ধতা আছে।

প্রশ্নঃ পঞ্চায়েতকে কোন কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে?

উত্তরঃ অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য পরিকল্পনা রচনা এবং সংবিধানের একাদশ তপশিলে যে বিষয়ের উল্লেখ আছে তার উন্নয়ন করা।

প্রশ্নঃ কীভাবে সভাধিপতি এবং সহকারী সভাধিপতিকে বেতন দেওয়া হয় ?

উত্তরঃ সভাপতি এবং সহকারী সভাধিপতিকে জেলাপরিষদের কোশ থেকে বেতন দেওয়া হয়।

প্রশ্নঃ. ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দের আগের আইনানুসারে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত কাঠামাে কেমন ছিল ?

উত্তর – ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দের আগে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত কাঠামাে ছিল ৪টি স্তরবিশিষ্ট (১) গ্রাম পঞ্চায়েত, (২) অঞ্চল পঞ্চায়েত, (৩) আঞ্চলিক পরিষদ এবং (৪) জেলা পরিষদ।

প্রশ্নঃ পঞ্চায়েত আয়-ব্যয়ের আইন কীরূপ?

উত্তরঃ- পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদ ও রাজ্য সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন খাতে ব্যয় করার জন্য পঞ্চায়েতকে যে টাকা দেওয়া হবে সেই বরাদ্দ টাকা পঞ্চায়েত নির্দিষ্ট খাতের বাইরে খরচ করতে পারবেন না।

প্রশ্নঃ জেলা পরিষদের বৈশিষ্ট্য কী ?

উত্তর – পঞ্চায়েত সমিতির মতাে জেলা পরিষদও একটি যৌথ সংস্থা যার নিরবচ্ছিন্ন উত্তরাধিকার যেমন আছে তেমনই নিজস্ব সিলমােহরও আছে।

প্রশ্নঃ গ্রাম পঞ্চায়েতের বার্ষিক এবং সাম্মাষিক অধিবেশন সাধারণত কোন মাসে অনুষ্ঠিত হয় ?

উত্তর – সাধারণত গ্রাম পঞ্চায়েতের বার্ষিক অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় মে মাসে এবং যাগ্মাসিক অধিবেশনটি অনুষ্ঠিত হয় নভেম্বর মাসে।

প্রশ্নঃ সংবিধানের কত নম্বর ধারায় গ্রাম পঞ্চায়েতের কাজের কথা বলা হয়েছে?

উত্তরঃ – সংবিধানের ১৯, ২০ এবং ২১নং ধারায় গ্রাম পঞ্চায়েতের কাজের উল্লেখ আছে।

প্রশ্নঃ জেলা পরিষদের প্রধান ও উপপ্রধানকে কী বলা হয় ?

উত্তরঃ জেলা পরিষদের প্রধানকে সভাধিপতি বলা হয় এবং উপপ্রধানকে সহকারী সভাধিপতি বলা হয়ে থাকে।

প্রশ্নঃ গ্রাম পঞ্চায়েতের সচিবের চাকরির শর্ত কী ?

উওরঃ সচিব পুরাে সময়ের কর্মী বলে অন্য কোন কাজ করতে পারেন না এবং রাজনৈতিক কার্যকলাপে অংশ নিতে পারেন না।

এটিও পড়ুন –  ডায়লগ লেখার নিয়ম, যেকোন Dialogue লিখুন নিমিষে, 

প্রশ্নঃ বঙ্গীয় স্থানীয় স্বায়ত্ত শাসন আইন কবে জারি করা হয় ?

উত্তর – ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গীয় স্থানীয় স্বায়ত্ত শাসন আইন জারি করা হয়।

প্রশ্নঃ সরকার কি কোনাে প্রধান অথবা উপপ্রধানকে তার আসন থেকে বিতাড়িত করতে পারেন ?

প্রশ্নঃ – হ্যাঁ, সরকার উপযুক্ত মনে করলে প্রধান কিংবা উপপ্রধানকে আসন থেকে বিতাড়িত করতে পারেন, এক্ষেত্রে সরকারকে একটি লিখিত নির্দেশনামা জারি করতে হবে।

প্রশ্নঃ ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দের পঞ্চায়েত আইনানুসারে গ্রাম পঞ্চায়েতের হাতে কী ধরনের কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয় ?

উত্তরঃ ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দের আইনানুসারে গ্রাম পঞ্চায়েতের হাতে তিন রকম দায়িত্ব দেওয়া হয়। যেমন—(১) ঐচ্ছিক কাজের দায়িত্ব, (২) অর্পিত কাজের দায়িত্ব এবং (৩) বাধ্যতামূলক কাজের দায়িত্ব।

প্রশ্নঃ পঞ্চায়েতের আইন পরিচালনার দায়িত্ব কার ?

উত্তরঃ- ডাইরেক্টরস অব পঞ্চায়েতের। তারা যাবতীয় পঞ্চায়েত সম্বন্ধীয় তথ্য সংগ্রহ করে ডিপার্টমেন্ট অব পঞ্চায়েতের কাছে প্রতিবেদন পাঠায় এবং নীতি নির্ধারণে সাহায্য করে।

প্রশ্নঃ বর্তমানে ভারতে শতকরা কতজন মানুষ পঞ্চায়েত ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত?

উত্তরঃ ভারতে যেহেতু একটি গ্রাম প্রধান দেশ তাই এখানে শতকরা ৮০ ভাগ মানুষ পঞ্চায়েত ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত।

প্রশ্নঃ ‘পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত আইন প্রবর্তনের উদ্দেশ্য কী ?

উত্তর – পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলের পঞ্চায়েতগুলিকে স্বীকৃতিদানের উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত বিধি’ ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে চালু হয়। এই আইন প্রবর্তনের অন্যতম উদ্দেশ্য পঞ্চয়েত সংক্রান্ত বিভিন্ন ব্যবস্থাপনাকে বিধিবদ্ধ করা।

প্রশ্নঃ মৌজা কী ?

উত্তরঃ – এটি হল এমন একটি ভূমিখণ্ড যা কোনাে একটি জেলার রেভিনিউ সংক্রান্ত নথিপত্রের মধ্যে বিজ্ঞাপিত, পরিদর্শিত এবং নিবন্ধীকৃত অবস্থায় থাকবে।

প্রশ্নঃ  গ্রাম পঞ্চায়েত বলতে সাধারণত কী বােঝানাে হয় ?

উত্তরঃ – গ্রাম পঞ্চায়েত বলতে রাজ্য সরকার কর্তৃক ঘােষিত ভূমিখণ্ডকে বােঝানাে হয়।

প্রশ্নঃ কবে গ্রামপ্রধানকে প্রাথমিক খসড়া বাজেট বিবেচনার জন্য বিশেষ সভা ডাকতে হয় ?

উত্তরঃ – ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে।

প্রশ্নঃ  গ্রাম পঞ্চায়েতের সচিবের বেতন ও ভাতা কোথা থেকে দেওয়া হয়?

উত্তর – সচিবের বেতন ও ভাতা দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকার গ্রাম পঞ্চায়েতকে অর্থ সাহায্য করেন। সেই তহবিল থেকেই সচিবকে বেতন ও ভাতা দেওয়া হয়।

প্রশ্নঃ  স্থানীয় স্বায়ত্ত শাসনের গুরুত্ব কী ?

উত্তরঃ স্থানীয় স্বায়ত্ত শাসনের ব্যবস্থা অতি কেন্দ্রীভূত ক্ষমতাসম্পন্ন সরকারি ব্যবস্থার ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে অন্যতম হাতিয়ার হিসাবে কাজ করে।

প্রশ্নঃ পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত আইন অনুসারে জেলাশাসক বলতে কাকে বােঝানাে হয়ে থাকে ?

উত্তরঃ জেলাশাসক বলতে কোনো একক ব্যক্তিকে বােঝায় না, তার মধ্যে থাকবেন উপকমিশনার, অতিরিক্ত জেলাশাসক এবং অতিরিক্ত উপকমিশনার। অবশ্য জেলাশাসক যদি অনা কোনােভাবে রাজ্যসরকার দ্বারা মনােনীত হয়ে থাকেন তাহলে তাকে বােঝানাে হবে।

প্রশ্নঃ পঞ্চায়েত আইনের ধারা অনুসারে কাকে জেলা পঞ্চায়েত আধিকারিক বলা হয় ?

উত্তর – পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত আইনের ধারা অনুসারে জেলা পঞ্চায়েত অধিকারী হবেন এমন একজন ব্যক্তি যাকে সরকার নিযুক্ত করবেন পঞ্চায়েত-সংক্রান্ত বিষয়গুলির পরিদর্শন এবং পর্যবেক্ষণের জন্য।

প্রশ্নঃ গ্রাম পঞ্চায়েতের অধিবেশন-সংক্রান্ত কী বিধিনিষেধ আছে ?

উত্তরঃ → এই পঞ্চায়েত অবশ্যই প্রতি মাসে একটি করে অধিবেশন ডাকবেন। এই অধিবেশনটিকে নির্দিষ্ট সময়ে এবং নির্দিষ্ট জায়গাতে ডাকতে হবে। পূর্ববর্তী অধিবেশনে পরবর্তী অধিবেশনের স্থান এবং সময়সীমা সুস্পষ্টভাবে নির্ধারণ করতে হবে।

প্রশ্নঃ গ্রামপ্রধান কী ইচ্ছামতাে অর্থ ব্যয় করতে পারে ?

উত্তরঃ – না। পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদ, রাজ্য সরকার বা অন্য কোনাে জায়গা থেকে গ্রামপ্রধান যে টাকা পান তা পঞ্চায়েতের সভা ডেকে সকলকে জানাতে হবে এবং কোন খাতে কত অথ ব্যয় হবে তাও বলতে হবে।

এটিও পড়ুন – টেনশন থেকে মুক্তি পেতে চান ? রইল গোপন টিপস

প্রশ্নঃ কর আদায়কারীদের কারা নিয়ােগ করেন এবং তাদের কাজ কী १

উত্তরঃ গ্রাম পঞ্চায়েত কর আদায়কারীদের নিয়ােগ করে। এদের কাজ হল একটি নির্দিষ্ট এলাকায় কর ও অভিকর আদায় করা।

প্রশ্নঃ তপশিলি জাতিভুক্ত অথবা তপশিলি উপজাতিভুক্ত মহিলারা কি গ্রাম পঞ্চায়েতে নির্বাচিত হতে পারেন ?

উত্তরঃ – তপশিলি জাতি এবং তপশিলি উপজাতিদের জন্য মােট যতগুলি আসন সংরক্ষিত রাখা হবে তার তিন ভাগের এক ভাগ হবেন মহিলা প্রতিনিধি।

প্রশ্নঃ কর্মসহায়ক গ্রাম পঞ্চায়েতে কোন কাজের জন্য নিযুক্ত হন ?

উত্তরঃ → সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের অন্তর্গত কর্মসূচি রূপায়ণের ক্ষেত্রে কাজের পরিমাপ, টোকেন বিলি ও হিসাবরক্ষার জন্য গ্রাম পঞ্চায়েত একজন করে কর্মসহাক নিয়োগ করেন।

প্রশ্নঃ একটি গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যবৃন্দের কাজের সময়সীমা কতদিন ? উত্তর – ৫ বছর। প্রথম সাধারণ অধিবেশন থেকে এই সময়সীমা শুরু হয়।

প্রশ্নঃ গ্রাম পঞ্চায়েতের কতজন সদস্যের উপস্থিতিকে ‘কোরাম বলে ধরা হয়ে থাকে? উত্তর – গ্রাম পঞ্চায়েতের বৈঠকে অন্ততপক্ষে ৪জন সদস্য বা মােট সদস্য সংখ্যার ১/৪ অংশ উপস্থিত থাকলেই সভার কোরাম তৈরি হয়ে যায়।

প্রশ্নঃ গ্রাম পঞ্চায়েতের অধিবেশনের গণপূর্তি সংখ্যা বলতে কী বােঝায় ?

উত্তরঃ – গ্রাম পঞ্চায়েতের মােট সদস্য সংখ্যার এক তৃতীয়াংশ উপস্থিত থাকলে তবেই আমরা গণপূর্তি সংখ্যা হয়েছে বলে মনে করতে পারি। গণপূর্তি সংখ্যা সাধিত করতে কমপক্ষে তিনজন সদস্যর উপস্থিতি প্রয়ােজন।

প্রশ্নঃ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যরা কি তাদের পদাধিকার বলে গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য হতে পারেন ? তাঁরা কি প্রধান এবং উপপ্রধানের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেন ? উত্তর না। তাঁরা এই জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেন না। তাঁরা প্রধান বা উপপ্রধানের নির্বাচন পদে প্রার্থীও হতে পারেন না।

প্রশ্নঃ কত সালে পঞ্চায়েত বিষয়ক সংবিধান সংশােধন করা হয় ?

উত্তর –  ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে পঞ্চায়েত বিষয়ক সংবিধান সংশােধন করা হয়। এটি ছিল ৭৩তম সংবিধ সংশােধন আইন।

প্রশ্নঃ সংবিধানের কত নং ধারা মতে কী কারণে গ্রাম পঞ্চায়েত বাতিল হতে পারে ?

উত্তরঃ – যদি সভা না ডাকার ব্যাপারে গ্রাম পঞ্চায়েত দায়ী হয় তবে সংবিধানের ২৪১নং ধারা মতে গ্রাম পঞ্চায়েতকে বাতিল করা যেতে পারে।

প্রশ্নঃ  পঞ্চায়েত আইনের খসড়া প্রকাশের কত দিনের মধ্যে তার বিরুদ্ধে আবেদন করতে হয় ?

উত্তর → পঞ্চায়েত আইনের খসড়া প্রকাশের পর যদি তার বিরুদ্ধে গ্রামের কোনাে বসবাসকারীর কিছু বলার থাকে তবে তা ছয় সপ্তাহের মধ্যে কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।

প্রশ্নঃ গ্রাম পঞ্চায়েতের সংশােধিত রিপাের্ট কোন সময়ের মধ্যে কাকে পাঠাতে হবে? উত্তর – ১৫ জানুয়ারির মধ্যে বি.ডি.ও-কে পাঠাতে হবে।

প্রশ্নঃ এক খাতের টাকা অন্য খাতে ব্যয় করতে হলে প্রধানকে কী করতে হবে?

উত্তর – প্রধানকে জরুরি সভা ডেকে সভার সদস্যদের দ্বারা তার অনুমােদন করিয়ে নিতে হবে।

প্রশ্নঃ প্রতি বছর কোন মাসে আয়-ব্যয়ের হিসাব দাখিল করে তার অনুলিপি নােটিশ বাের্ডে টাঙাতে হবে?

উত্তরঃ প্রতি বছর অক্টোবর মাসে মাসে কত আয় এবং কত ব্যয় হয়েছে, কী কী কাজ হয়েছে, গ্রামবাসীরা তার কী ফল পেয়েছে তার রিপোর্ট তৈরি করে গ্রামসভায় অনুমােদন করিয়ে তার অনুলিপি নােটিশ বাের্ডে টাঙাতে হয়।

প্রশ্নঃ  পঞ্চায়েতকে কোন কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে?

উত্তর – অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য পরিকল্পনা রচনা এবং সংবিধানের একাদশ তপশিলে যে বিষয়গুলির উল্লেখ আছে তার উন্নয়ন করা।

প্রশ্ন: যদি কোনাে প্রধান অথবা উপপ্রধানের পদত্যাগ পত্রটি গৃহীত হয়, তাহলে কীভাবে তা গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্যান্য সদস্যদের কাছে জানানাে হয় ?

উত্তরঃ  উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ উক্ত পদত্যাগপত্র গ্রহণের ত্রিশ দিনের মধ্যে গ্রাম পঞ্চায়েতের সকল সদস্যদের কাছে সেই সংবাদ প্রেরণ করবেন।

প্রশ্নঃ কীভাবে গ্রাম পঞ্চায়েত গঠিত হয়ে থাকে ?

উত্তরঃ গ্রাম পঞ্চয়েত গঠিত হয়ে থাকে (ক) গ্রাম পঞ্চায়েতের নির্বাচিত সদস্যমণ্ডলী এবং (খ) পঞ্চয়েত সমিতির সদস্যমণ্ডলী দ্বারা। এর মধ্যে সভাপতি অথবা সহকারী সভাপতিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় না।

প্রশ্নঃ কোন ক্ষেত্রে জমি ও বাড়ির উপর পঞ্চায়েত কর ধার্য করতে পারে না? উত্তর – (ক) জমি ব্য বাড়ি যদি কোনাে ব্যক্তি বিনা অর্থে কোনােরকম জনকল্যাণের কাজে ব্যবহার করতে দেয়। (খ) কোনাে ধর্মীয় সমিতি। (গ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা দাতব্য চিকিৎসালয়।

প্রশ্নঃ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রশাসন কর্মীবৃন্দ কারা ? উত্তর – প্রত্যেক গ্রাম পঞ্চায়েতে একজন সচিব, একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট, কয়েকজন চৌকিদার, দফাদার, কর আদায়কারী, একজন কর্মসহায়ক ও অন্যান্য অঞ্চল উন্নয়ন কর্মী থাকে।

প্রশ্নঃ পরিষদের প্রশাসন যন্ত্র কে পরিচালনা করেন?

উত্তরঃ – রাজ্য সরকার দ্বারা নিযুক্ত কার্যনির্বাহক অফিসার। তিনি আই.এ.এস.-এর প্রধান সদস্য ও সেই এলাকার জেলা শাসক বা ডেপুটি কমিশনার।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button