বিজ্ঞানপ্রশ্নপত্রপড়াশোনামাধ্যমিকমাধ্যমিক সাজেশন

আলো অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর

আলো অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তরঃ এই অধ্যায়ে মাধ্যমিক ছাত্রছাত্রীদের জন্য ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ বিষয়ের আলো অধ্যায়ের কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর শেয়ার করা হল। আশা করি আলো অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর গুলি ছাত্র ছাত্রীদের খুব কাজে আসবে। পরিবেশের জন্য ভাবনা অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর এর আগের পোষ্টে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে চাইলে দেখে নিত পারো।

আলো অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর

  •  কোনাে পেন্সিল কে আংশিকভাবে জলে ডােবালে কেমন দেখায় ?
    উত্তর:-  আলোর প্রতিসরণের জন্য পেন্সিল বেঁকে গেছে বলে মনে হয়।
  • কোনাে বইয়ের লেখা গুলো কিভাবে একটু চোখের কাছে এনে পড়া যায় ?
    উত্তর:-  একটি মােটা কাচের স্ল্যাব লেখাগুলির ওপর রাখলে প্রতিসরণের জন্য লেখাগুলি ওপরে উঠে আসবে।
  •  প্রতিসরণ হওয়ার মূল কারণ কী ?
    উত্তর:-  বিভিন্ন, মাধ্যমে আলোর বেগ বিভিন্ন হওয়ার কারণে প্রতিসরণ হয়।
  • প্রতিসরণ ঘটনার ব্যাখ্যা করার জন্য কটি সূত্র আছে?
    উত্তর:- প্রতিসরণ ঘটনার ব্যাখ্যা করার জন্য দুটি সূত্র আছে।
  • প্রতিসরণের প্রথম সূত্রটি কী ?
    উত্তর:-  আপতিত রশ্মি, প্রতিসৃত রশ্মি এবং ও আপতন বিন্দুতে প্রতিসারক তলের ওপর অঙ্কিত অভিলম্ব একই সমতলে থাকে।
  •  প্রতিসরণের ক্ষেত্রে স্নেলের সূত্র কি?
    উত্তর:- প্রতিসরণের ক্ষেত্রে স্নেলের সূত্রটি হল—আপতন। কোণের সাইন ও প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাত ধ্রুবক হয়। এই ধ্রুবকের মান মাধ্যম দুটির প্রকৃতি এবং আপতিত আলোর বর্ণের ওপর নির্ভর করে।
  •  আপতন বিন্দু কোনটি ?
    উত্তর:- যে বিন্দুতে আপতিত রশ্মি, প্রতিফলিত রশ্মি ও প্রতিফলকের ওপর অঙ্কিত অভিলম্ব অবস্থান করে সেটিই হল আপতন বিন্দু।
  • প্রতিফলনের সূত্র কি বক্রতলে প্রযােজ্য ?
    উত্তর:- হ্যাঁ, প্রতিফলনের সূত্র বক্রতলে প্রযােজ্য।
  • চামচ বা বাটির ভিতরের দিক মুখের সামনে ধরলে মুখের কেমন প্রতিবিম্ব দেখা যাবে?
    উত্তর:-  অদ্ভুত এক ধরনের বড়াে আকারের প্রতিবিম্ব দেখা যাবে।
  • স্টিলের থালাতে চোখের প্রতিবিম্ব কেমন দেখাবে ?
    উত্তর:- স্টিলের থালাতে চোখের প্রতিবিম্ব স্বাভাবিক দেখাবে।
  • গােলীয় দর্পণ কী ?
    উত্তর:- যদি কোনাে গােলীয় তলের ভেতরের বা বাইরের অংশ মসৃণ ও চকচকে হয়, তবে তাকে গােলীয় দর্পণ বলে।
  • গােলীয় দর্পণ কত ধরনের ও কী কি?
    উত্তর:- গােলীয় দর্পণ দুই-ধরনের উত্তল ও অবতল।
  • উত্তল দর্পণ কেমন হয় ?
    উত্তর:- গােলীয় তলের বাইরের উঁচু দিকটা প্রতিফলক এর কাজ করে।
  • অবতল দর্পণ কেমন হয় ?
    উত্তর:- গোলীয় তলের ভেতরে ঢোকা অংশ প্রতিফলক এর কাজ করে।
  • মেরু কাকে বলে ?
    উত্তর:- গোলীয় দর্পণের প্রতিফলক তলের মধ্যবিন্দুকে কি পণ্যের মেরু বলে।
  • আলাে নিজে দৃশ্য না অদৃশ্য?
    উত্তর:- আলাে নিজে অদৃশ্য।

এটিও পড়ুন – প্রণব মুখোপাধ্যায় এর বর্ণময় অধ্যায়

  • যে বস্তু আলোর নিঃসরণ করে তাকে কী বলে?
    উত্তর:- যে বস্তু আলোর নিঃসরণ করে তাকে আলােক উৎস বলে।
  • আলােক উৎস থেকে যে সরলরেখা বরাবর আলো সঞ্চালিত হয় তাকে কী বলে ?
    উত্তর:- আলােক উৎস থেকে যে সরলরেখা বরাবর আলাে সঞ্চালিত হয় তাকে আলােকরশ্মি বলে।
  • আলােকরশ্মি দিয়ে গড়া আলোক বিজ্ঞান কি বলে ?
    উত্তর:- আলােকরশ্মি দিয়ে গড়া আলােক বিজ্ঞানকে জ্যামিতিক বা রশ্মি আলোকবিজ্ঞান বলে।
  • আলোর প্রতিফলনের একটি সূত্র বলাে?
    উত্তর:- আলোর প্রতিফলনের দুটি সূত্র হল আপতন কোণ ও প্রতিফলন কোণ সমান হয়।
  • আলােকশক্তি কোন অনুভূতির সৃষ্টি করে ?
    উত্তর:- আলোক শক্তি দৃষ্টির অনুভূতি সৃষ্টি করে।
  • অবতল দর্পণের কাছে কোনো বস্তু রাখলে প্রতিবিম্বের আকার কেমন হয় ?
    উত্তর:- অবতল দর্পণের কাছে কোনাে বস্তু রাখলে প্রতিবিম্বের আকার বিবর্ধিত হয়।
  • দাঁতের ডাক্তাররা চিকিৎসার জন্য কী ধরনের দর্পণ ব্যবহার করেন ও কেন ?
    উত্তর:- দাঁতের ডাক্তার চিকিৎসার জন্য অবতল দর্পণ ব্যবহার করেন, কারণ তাতে দাঁত বড়াে দেখায়।
  • দাড়ি কামানাের সময় কোন্ ধরনের দর্পণ ব্যবহার করলে সুবিধা হয় ?
    উত্তর:- দাড়ি কামানাের সময় অবতল দর্পণ ব্যবহার করলে সুবিধা হয়।
  • গাড়ির হেডলাইটে অবতল দর্পণ ব্যবহার করা হয় কেন?
    উত্তর:- অবতল দর্পণ দ্বারা ক্ষমতাশালী সমান্তরাল রশ্মি গুচ্ছ পাওয়া যায়, যার দ্বারা রাস্তায় অনেক দূরের বস্তুকে দেখা যায়।

Light

  • সােলার ফার্নেসে কী ধরনের দর্পণ ব্যবহার করা হয় ?
    উত্তর:- সােলার ফার্নেসে অবতল দর্পণ ব্যবহার করা হয়।
  • উত্তল লেন্সের সামনে বস্তু রাখলে দর্পণ কর্তৃক সৃষ্ট প্রতিবিম্বের আকার কেমন হয় ?
    উত্তর:- উত্তল লেন্সের সামনে বস্তু রাখলে দর্পণ কর্তৃক সৃষ্ট প্রতিবিম্বের আকার ছােটো হয়।
  • গােলীয় দর্পণের বক্রতা কেন্দ্র কাকে বলে ?
    উত্তর:- গােলীয় দর্পণ যে গোলকের অংশ ওই গোলকের কেন্দ্র বক্রতা কেন্দ্র বলে।
  • অবতল দর্পণের বক্রতা কেন্দ্র কোন দিকে থাকে ?
    উত্তর:- অবতল দর্পণের বক্রতা কেন্দ্র প্রতিফলক তলের সামনে থাকে।
  • উত্তল দর্পণের বক্রতা কেন্দ্র কোন দিকে থাকে ?
    উত্তর:- উত্তল দর্পণের বক্রতা কেন্দ্র প্রতিফলক তলের পেছনে থাকে।
  • গােলীয় দর্পণের বক্রতা ব্যাসার্ধ কী ?
    উত্তর:- গােলীয় দর্পণ যে গোলকের অংশ সেই গোলকের ব্যাসার্ধ বক্রতা ব্যাসার্ধ বলে।
  • সমতল দর্পণের বক্রতা ব্যাসার্ধ কত ?
    উত্তর:- সমতল দর্পণের বক্রতা ব্যাসার্ধ অসীম।

এটিও পড়ুন – জীবজগতের নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর

  • দর্পণের প্রধান অক্ষ কাকে বলে ?
    উত্তর:- গােলীয় দর্পণের মেরু ও বক্রতা কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে অঙ্কিত সরলরেখাকে দর্পণের প্রধান অক্ষ বলে।
  • গােলীয় দর্পণের উন্মেষ কাকে বলে ?
    উত্তর:- গােলীয় দর্পণের পরিসীমা বৃত্তাকার হলে ওই বৃত্তের ব্যাসকে দর্পণের উন্মেষ বলে।
  • গােলীয় দর্পণের ফোকাস কী ?
    উত্তর:- অসীম দূরত্বে কোনাে বিন্দু উৎসের গােলীয় দর্পণে প্রতিফলনের দরুন যে বিন্দুতে প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয়, তাকে ওই দর্পণের ফোকাস বলে।
  • অবতল দর্পণে সমান্তরাল রশ্মিগুচ্ছ আপতিত হলে প্রতিফলনের পর তারা কোথায় মিলিত হয় ?
    উত্তর:- অবতল দর্পণে সমান্তরাল রশ্মিগুচ্ছ আপতিত হলে প্রতিফলনের পর তারা ফোকাস বিন্দুতে মিলিত হবে।
  • অবতল দর্পণের সাহায্যে একই আকারের সমতল দর্পণ অপেক্ষা বেশি না কম প্রতিবিম্ব সৃষ্ট করা যায় ?
    উত্তর:-  অবতল দর্পণের সাহায্যে একই আকারের সমতল দর্পণ অপেক্ষা অনেক বেশি সংখ্যক প্রতিবিম্ব সৃষ্ট করা যায়।
  • আগ্রা ফোর্টের দেয়ালে পুরাে তাজমহল দেখার জন্য কী ধরনের দর্পণ লাগানাে আছে ?
    উত্তর:- আগ্রা ফোর্টের দেয়ালে পুরাে তাজমহল দেখার জন্য ক্ষুদ্র উত্তল দর্পণ লাগানাে আছে।
  • আলো তির্যকভাবে মাধ্যম পরিবর্তন করলে কী হয় ?
    উত্তর:- আলো তির্যকভাবে মাধ্যম পরিবর্তন করলে সঞ্চালনের দিক পরিবর্তন হয়।
  • আলো মাধ্যম পরিবর্তন করলে তার সঞ্চালনের দিক পরিবর্তন হয়। এই ঘটনাকে কী বলে ?
    উত্তর:- আলাে মাধ্যম পরিবর্তন করলে তার সঞ্চালনের দিক পরিবর্তন হয়, এই ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। ওপর থেকে দেখলে জল ভরতি ট্যাংকের তলা বেশ খানিকটা ওপরে উঠে এসেছে বলে মনে হয় ।
  • গােলীয় দর্পণের প্রধান অক্ষের সমান্তরাল রশ্মিগুচ্ছ প্রতিফলনের পর যে বিন্দুতে মিলিত হয় তার নাম কী ?
    উত্তর:- গােলীয় দর্পণের প্রধান অক্ষের সমান্তরাল রশ্মিগুচ্ছ প্রতিফলনের পর যে বিন্দুতে মিলিত হয় তার নাম মুখ্য ফোকাস।
  •  আলােকরশ্মির অভিসারিত্ব কী ?
    উত্তর:- যদি সমান্তরাল রশ্মিগুচ্ছ প্রতিফলিত হয়ে একটি বিন্দুতে মিলিত হয় তবে এই ঘটনাকে রশ্মিগুচ্ছের অভিসারিত্ব বলে।
  •  আলােকরশ্মির অপসারিত্ব কী ?
    উত্তর:- সমান্তরাল রশ্মিগুচ্ছ যদি প্রতিফলিত হয়ে একটি বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয় তাহলে এই ঘটনাকে রশ্মির অপসারিত্ব বলে।
  •  উত্তল দর্পণকে অপসারী দর্পণ বলে কেন ?
    উত্তর:- সমান্তরাল আলােক রশ্মিগুচ্ছ উত্তল দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে একটি বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয় তাই উত্তল দর্পনকে অপসারী দর্পন বলে।
  • বক্রতা কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে যাওয়া কোনাে রশ্মি প্রতিফলনের পর কোথা দিয়ে যাবে ?
    উত্তর:-  বক্রতা কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে যাওয়া কোনাে রশ্মি প্রতিফলনের পর যে পথে এসেছিল সেই পথেই ফিরে যাবে।
  • উপাক্ষীয় রশ্মি কাকে বলে ?
    উত্তর:-  যেসব আলােকরশ্মি গােলীয় দর্পণের প্রধান অক্ষের সঙ্গে ক্ষুদ্র কোণে আপতিত হয় তারা হল উপাক্ষীয় রশ্মি ।
  • সূর্যালােকে অবতল দর্পণ ধরে কাগজ পোড়ানো যায় কেন ?
    উত্তর:-   সূর্যালোকে অবতল দর্পণ ধরলে সূর্য থেকে আগত সমান্তরাল রশ্মিগুচ্ছ প্রতিফলিত হয়ে দর্পণের ফোকাসে মিলিত হয় এবং প্রচুর তাপ উৎপন্ন করে। ওই বিন্দুতে এক টুকরাে কাগজ রাখলে তা জ্বলে ওঠে।
  • দর্পণ উত্তল হলে ফোকাস বিন্দুতে প্রতিবিম্বের প্রকৃতি কেমন হয় ?
    উত্তর:-  দর্পণে উত্তল হলে ফোকাস বিন্দুতে প্রতিবিম্বের প্রকৃতি অসদ হয়।
  • কোনাে অবতল দর্পণের ফোকাসে যে বিন্দু প্রতিবিম্বের সৃষ্টি হয় তার প্রকৃতি কেমন ?
    উত্তর:-  কোনাে অবতল দর্পণের ফোকাসে যে বিন্দু প্রতিবিম্বের সৃষ্টি হয় তার প্রকৃতি সদ্‌।
  • কোনাে গােলীয় প্রতিফলক আপতিত সব রশ্মিগুলিই কখন উপাক্ষীয় ?
    উত্তর:-  দর্পণের বক্রতা ব্যাসার্ধের তুলনায় ক্ষুদ্র উন্মেষযুক্ত দর্পণে আপতিত সব রশ্মিই উপাক্ষীয়।
  • ক্ষুদ্র উন্মেষের অবতল দর্পণের ফোকাস দূরত্ব বক্রতা ব্যাসার্ধের সম্পর্ক কী ?
    উত্তর:-  ক্ষুদ্র উন্মেষযুক্ত অবতল দর্পণের ফোকাস দূরত্ব, বক্রতা ব্যাসার্ধের অর্ধেক হয়।
  • অবতল দর্পণে অসদবিম্ব গঠিত হলে তার প্রকৃতি ও অবস্থান কেমন ?
    উত্তর:-  প্রতিবিম্বটি অসদ, সমশীর্ষ ও বিবর্ধিত হবে এবং প্রতিবিম্ব দর্পণের পেছনে গঠিত হয়।
  • অবতল দর্পণের ফোকাস ও বক্রতা কেন্দ্রের মধ্যে কোনো বিন্দুতে বস্তু থাকলে প্রতিবিম্বের প্রকৃতি ও অবস্থান কেমন হবে ?
    উত্তর:- প্রতিবিম্বটি সদ, অবশীর্ষ ও বিবর্ধিত হয় এবং বক্রতা কেন্দ্র ও অসীমের মধ্যে গঠিত হয়।
  • আলেকসন্দ্র দিয়ে কোনাে আলােকরশ্মি গেলে চ্যুতি কত হয় ?
    উত্তর:-  লেন্সের আলােককেন্দ্র দিয়ে কোনাে আলােকরশ্মি গেলে কোনাে চ্যুতি হয় না, রশ্মিটি সােজা বেরিয়ে যায়।
  • প্রিজমের শীর্ষ কোণ বাড়ে হলে প্রতিসৃত রশ্মির চ্যুতি কেমন হবে ?
    উত্তর:-  প্রিজমের শীর্ষ কোণ বড়াে হলে প্রতিসৃত রশ্মির চ্যুতি বেড়ে যাবে।
    উত্তর:-  লেন্সের ফোকাস কাকে বলে ? লেন্সের প্রধান অক্ষের সমান্তরালভাবে আপতিত রশ্মিগুচ্ছ প্রতিসরণের পর যে বিন্দুতে মিলিত হয় বা যে বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয় ওই বিন্দুকে লেন্সের ফোকাস বলে।
  • লেন্সের ফোকাস দূরত্ব কাকে বলে ?
    উত্তর:-  লেন্সের ফোকাস থেকে আলোক কেন্দ্রের দূরত্ব ফোকাস দূরত্ব বলে।
  • ফোকাস দূরত্ব কি আপতিত রশ্মির বর্ণের ওপর নির্ভর করে ?
    উত্তর:- হ্যা, ফোকাস দূরত্ব আপতিত রশ্মির বর্ণের ওপর নির্ভর করে।
  • সর্বাধিক দৃশ্যমান ও সর্বনিম্ন দৃশ্যমান রশ্মির নাম লেখ?।
    উত্তর:-   লাল বর্ণের রশ্মি সর্বাধিক দৃশ্যমান এবং বেগুনি বর্ণের রশ্মি সর্বনিম্ন দৃশ্যমান হয়।
  • উত্তল লেন্স দ্বারা গঠিত প্রতিবিম্ব সদ না অসদ হয় ?
    উত্তর:- উত্তল লেন্স দ্বারা গঠিত প্রতিবিম্ব সাধারণভাবে সদ হয়।

এটিও পড়ুন – ভ্রমণের প্রয়োজনীয়তা প্রবন্ধ রচনা 600 শব্দের মধ্যে

  •  সদবিম্ব কাকে বলে ?
    উত্তর:-  যে প্রতিবিম্বকে পর্দায় ফেলা যায়, তাকে সদ বিম্ব বলে।
  • উত্তল লেন্স দ্বারা গঠিত প্রতিবিম্ব কখন অসদ্‌ হবে?
    উত্তর:-   বস্তু, লেন্সের ফোকাস দূরত্বের চেয়ে কম দূরত্বে থাকলে উত্তল লেন্স দ্বারা অসদবিম্ব তৈরি হবে।
  • উত্তল লেন্সে গঠিত অসদবিম্বের প্রকৃতি কী হবে ?
    উত্তর:- সমশীর্ষ ও বিবর্ধিত প্রতিবিম্ব হবে।
  •  উত্তল লেন্সের অসদ বিম্ব গঠন কে কাজে লাগিয়ে লেন্সকে কী হিসেবে ব্যবহার করা হয় ?
    উত্তর:-  লেন্সকে বিবর্ধক কাচ (magnifying glass) হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
  •  লেন্সের ফোকাসে কোনাে বস্তু রাখলে কোথায় প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হবে ?
    উত্তর:-  লেন্সের ফোকাসে কোনাে বস্তু রাখলে অসীমে প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হবে।
  • চিকিৎসাক্ষেত্রে হাড়ের ছবি তোলার জন্য কোন রশ্মি ব্যবহার করা হয় ?
    উত্তর:-  চিকিৎসাক্ষেত্রে হাড়ের ছবি তােলার জন্য X-রশ্মি ব্যবহার করা হয়।
  • কেলাস গঠনে ত্রুটি আছে কিনা তা কোন রশ্মি দিয়ে নির্ণয় করা হয় ?
    উত্তর:- কেলাস গঠনে ত্রুটি আছে কিনা তা X-রশ্মি দিয়ে নির্ণয় করা হয়।
  • খাদ্য উপকরণ দীর্ঘ সময় সংরক্ষণের জন্য কোন্ রশ্মি ব্যবহার করা হয় ?
    উত্তর:-  খাদ্য উপকরণ দীর্ঘ সময় সংরক্ষণের জন্য ? রশ্মি ব্যবহার করা হয়।
  • কৃষিক্ষেত্রে ফলন বৃদ্ধি ও গাছের বৃদ্ধির কাজে কোন রশ্মি ব্যবহার করা হয় ?
    উত্তর:-  কৃষিক্ষেত্রে ফলন বৃদ্ধি ও গাছের বৃদ্ধির কাজে গামা রশ্মি ব্যবহার করা হয়।
  • মানুষের ত্বকের রং পরিবর্তন করে কোন্ রশ্মি ?
    উত্তর:- মানুষের ত্বকের রং পরিবর্তন করে UV রশ্মি।
  • X-রশ্মি বেশি বার ব্যবহার করলে কী হয় ?
    উত্তর:- X-রশ্মি বেশি বার ব্যবহার করলে শরীরের কোশ নষ্ট হয়ে যায়।
  • জেনেটিক পরিবর্তন ঘটাতে পারে কোন্ রশ্মি?
    জেনেটিক পরিবর্তন ঘটাতে পারে গামা-রশ্মি।
  • আলোর কোন ধর্মের জন্য আকাশ কালো দেখায় ?
    উত্তর:- আলোর বিক্ষেপণ ধর্মের জন্য আকাশ কালো দেখায়।
  • সূর্যালােকের বিক্ষেপণের জন্য কী দরকার ?
    উত্তর:-  সূর্যালােকের বিক্ষেপণের জন্য বায়ুমণ্ডলের ভাসমান ধূলিকণা দরকার।
  • সূর্যালােকের বিক্ষেপণের জন্য কী দরকার ?
    উত্তর:-  সূর্যালােকের বিক্ষেপণের জন্য বায়ুমণ্ডলের ভাসমান ধূলিকণা দরকার।
  • বিক্ষিপ্ত আলোর তীব্রতা ও তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের সম্পর্ক কী ?
    উত্তর:-  বিক্ষিপ্ত আলোর তীব্রতা আপতিত আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চতুর্থ ঘাতের ব্যস্তানুপাতিক।
  • চাঁদের আকাশ সবসময় কালো কেন ?
    উত্তর:- চাঁদে কোনাে বায়ুমণ্ডল নেই, তাই আলােকরশ্মির বিক্ষেপণ হয় না ও চাঁদের আকাশ সবসময় কালো থাকে।
  • পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল না থাকলে দিনের বেলায় আকাশ কেমন দেখাত ?
    উত্তর:-   পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল না থাকলে দিনের বেলায় আকাশ কালো দেখাত।

এটিও পড়ুন – চিরযৌবন ও দীর্ঘায়ু লাভের সঠিক উপায়

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button